...
...
Next Story

Bangladeshi Infiltrators: আঁধারে ভারতীয় জলসীমায় অনুপ্রবেশ, বাংলাদেশি হিন্দুদের ধরল কোস্ট গার্ড

ধৃত মৎস্যজীবী বিধান দাসের দাবি, 'আমরা সকালে মাছ ধরতে এসেছিলাম। অজান্তেই ভারতীয় জলসীমার কাছে চলে আসি। তখন উপকূলরক্ষী বাহিনী আমাদের আটক করে। রবীন্দ্রনাথ দাসকে স্বজাতির মানুষ বলেই সঙ্গে নিয়ে আসছিলাম।'

Published on: Feb 17, 2026, 11:19:19 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ভারতীয় জলসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীরা। তবে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর তৎপরতায় ধরা পড়ল সেই সব বাংলাদেশিরা। ঘটনাটি গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঘটেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকায়। ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়া বাংলাদেশি ট্রলারটিকে তাড়া করে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। পরে সেটিকে আটক করা হয়। তাতে ছিল ২৮ জন বাংলাদেশি। ১৬ ফেব্রুয়ারি এই ২৮ জনকে আটক করে নিয়ে আসা হয় ফ্রেজারগঞ্জে। সেখানে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় এই অনুপ্রবেশকারীদের। এদিকে আটক হওয়া ট্রলারটির নাম - 'সাগর ৩'।

১৬ ফেব্রুয়ারি এই ২৮ জন বাংলাদেশিকে আটক করে নিয়ে আসা হয় ফ্রেজারগঞ্জে।
১৬ ফেব্রুয়ারি এই ২৮ জন বাংলাদেশিকে আটক করে নিয়ে আসা হয় ফ্রেজারগঞ্জে।

জানা গিয়েছে, আটক হওয়া মৎস্যজীবীরা অধিকাংশই বাংলাদেশের চট্টগ্রামের কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়ার বাসিন্দা। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে এই বাংলাদেশিদের গ্রেফতার করেছে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশ। এদিকে জেরায় এই বাংলাদেশিরা দাবি করেছেন, পথ ভুলেই ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করেছিল তারা। তবে চট্টগ্রাম থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার দিকে কীভাবে পথ ভুলে তারা এল, আদৌ পথ ভুলেই তারা এসেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে পুলিশ। পরে পুলিশ জানতে পারে, একজনকে ভারতে অনুপ্রবেশ করাতে সাহায্য করার লক্ষ্যেই ভারতের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল বাংলাদেশি ট্রলারটি। ১৭ ফেব্রুয়ারি এই ধৃত বাংলাদেশিদের কাকদ্বীপ আদালতে পেশ করে পুলিশ।

তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন জানিয়েছেন, মাছ ধরার আড়ালে রবীন্দ্রনাথ দাস নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতীয় জলসীমায় আনার পরিকল্পনা ছিল। তাঁকে ট্রলারে করে সীমান্ত পেরিয়ে আনা হচ্ছিল বলেই অভিযোগ। ঠিক সেই সময়েই টহলরত উপকূলরক্ষী বাহিনীর নজরে পড়ে ট্রলারটি এবং অভিযান চালানো হয়। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, 'ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, এটি কোনও বড় অনুপ্রবেশ চক্রের অংশ কি না। অতীতে একইভাবে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা হয়েছে কি না, তাও তদন্তে দেখা হচ্ছে।' অন্যদিকে, ধৃত মৎস্যজীবী বিধান দাসের দাবি, 'আমরা সকালে মাছ ধরতে এসেছিলাম। অজান্তেই ভারতীয় জলসীমার কাছে চলে আসি। তখন উপকূলরক্ষী বাহিনী আমাদের আটক করে। রবীন্দ্রনাথ দাসকে স্বজাতির মানুষ বলেই সঙ্গে নিয়ে আসছিলাম।' আটক হওয়া মৎস্যজীবী রতন দাস বলেন, 'আমরা মাছ ধরতে এসেছিলাম। বাংলাদেশের বাসিন্দা। বুঝতে পারিনি ভারতের জলসীমায় এসে গিয়েছি।' তিনি আবার দাবি করেন, অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা রবীন্দ্র দাস আদতে ভারতীয়। তিনি বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরতে এই বোটে চেপেছিলেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe