...
...
Next Story

Behala Crime:প্রেম করায় মধ্যযুগীয় বর্বরতা!বেহালায় যুবক ও বাবাকে বিবস্ত্র করে ঘোরালো অভিযোগে ধৃত প্রেমিকার বাবা-মামা সহ ৩

Behala Crime: সরশুনা এলাকার এক যুবক ও যুবতীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সেই সম্পর্কে যুবতীর পরিবারের তীব্র আপত্তি ছিল। রবিবার, ২৫ অক্টোবর ওই তরুণ-তরুণী বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় দেখা করতে এসেছিলেন। সেই সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলেন যুবতীর মামা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

Updated on: Oct 26, 2026, 13:36:03 IST
Advertisement

Behala Crime: প্রেম করার কী অপরাধ? এই প্রশ্নটিকে সামনে রেখেই মধ্যযুগীয় বর্বরতা ও অমানুষিক নির্যাতনের সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা। প্রেমিক যুবক, তাঁর বন্ধু এবং বাবাকে মারধর করে বিবস্ত্র অবস্থায় এলাকায় ঘোরানো এবং বন্দুকের নল উঁচিয়ে গুলি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকার পরিবারের বিরুদ্ধে। রবিবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় দক্ষিণ কলকাতার বেহালা (Behala) সংলগ্ন সরশুনা থানা এলাকার বসুন্ধরা পার্কে। এই ঘটনায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সরশুনা থানার পুলিশ। ঘটনায় যুবতীর বাবা, মামা-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বেহালায় যুবক ও বাবাকে বিবস্ত্র করে ঘোরালো অভিযোগে ধৃত প্রেমিকার বাবা-মামা সহ ৩
বেহালায় যুবক ও বাবাকে বিবস্ত্র করে ঘোরালো অভিযোগে ধৃত প্রেমিকার বাবা-মামা সহ ৩

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সরশুনা এলাকার এক যুবক ও যুবতীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সেই সম্পর্কে যুবতীর পরিবারের তীব্র আপত্তি ছিল। গত রবিবার, ২৫ অক্টোবর ওই তরুণ-তরুণী বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় দেখা করতে এসেছিলেন। সেই সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলেন যুবতীর মামা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। অভিযোগ, এর পরই যুবককে আটকে রেখে মারধর শুরু করেন যুবতীর বাবা ও মামা। অত্যাচারের মাত্রা সেখানেই থামেনি; এরপর যুবকের বাবাকে ফোন করে ডেকে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ। তিনি সেখানে পৌঁছলে চরম শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ছেলের সামনেই তাঁর বাবার হাতে বন্দুক তুলে দিয়ে নিদান দেয় তরুণীর পরিবার। বলা হয়, হয় ছেলেকে মেরে ফেলতে হবে, নয়তো নগ্ন হয়ে হাঁটতে হবে রাস্তায়। এরপরই ওই যুবক ও তাঁর বাবাকে নগ্ন করে রাস্তায় ঘোরানোর অভিযোগ ওঠে প্রেমিকার বাবার বিরুদ্ধে। ছেলেটির এক বন্ধুকেও একইভাবে মারধর ও শাস্তি দেওয়া বলে অভিযোগ।

সমাজকর্মী শাশ্বতী ঘোষ বলেন, 'এই ঘটনা যাঁরা ঘটিয়েছেন, তাঁরা মানসিক ভারসাম্যহীন। আর যাঁরা প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন, তাঁরা কি মজা নিয়েছেন? নাকি এর প্রতিবাদ করেছেন, তাও তদন্ত করা দরকার।' প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি থাকলেও কাউকে মারধর করা, ভয় দেখানো কিংবা রাস্তায় বিবস্ত্র করে ঘোরানো যায় কিনা, সেই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks