Income Tax: কাগুজে বা ভুয়ো কোম্পানি তৈরি করে তার মাধ্যমে বিদেশে ৫৫৫ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের দফতরে আয়কর হানা দিতেই হল পর্দাফাঁস। ইতিমধ্যে চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) দুই ভাই-বোনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছে আয়কর দফতর।

সূত্রের খবর, রীতিমতো সিন্ডিকেট গড়ে এই টাকা মধ্যপ্রাচ্যে চালান করা হয়েছে। কিন্তু কীভাবে সামনে এল বিষয়টি? পুলিশ জানিয়েছে, এক আয়কর আধিকারিকের অভিযোগের ভিত্তিতেই পূর্ব কলকাতার ফুলবাগান থানার পুলিশ এই ব্যাপারে তদন্ত শুরু করে। সেই তদন্তের সূত্র ধরে গত সপ্তাহেই আয়কর দফতরের আধিকারিকরা ফুলবাগানের কাঁকুড়গাছিতে কাদাপাড়া অঞ্চলের একটি সিএ ফার্মে হানা দেন। তাঁদের কাছে খবর ছিল, ওই সিএ ফার্ম বিপুল টাকা তছরুপ করে বিদেশে পাচার করেছে। ওই সিএ ফার্মটির কর্মকর্তা দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, সম্পর্কে ভাই-বোন। ওই আয়কর অভিযানের সময় আধিকারিকরা গোটা অফিস তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর নথি উদ্ধার করেন। এর মধ্যে ছিল বেশ কিছু শংসাপত্র, যেগুলির মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয়েছে বিদেশে।
আয়কর কর্তাদের মতে, বিদেশে টাকা পাঠানোর ব্যাপারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (RBI) স্পষ্ট গাইডলাইন রয়েছে। তার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ককে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে শংসাপত্র দিতে হবে। তার আগে সিএ ফার্মকে যিনি টাকা পাঠাচ্ছেন ও যাঁর কাছে টাকা পাঠানো হচ্ছে, তাঁদের চুক্তি, অন্যান্য নথি, বুক অফ অ্যাকাউন্ট, যে টাকা পাঠানো হচ্ছে, তার ভিত্তিতে কত টাকা কর প্রদান করতে হবে, প্রত্যেকটি বিষয় দেখতে হয় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে। কিন্তু ফুলবাগানের ওই সিএ ফার্মে তল্লাশি চালিয়ে আয়কর আধিকারিকরা বেশ কিছু নথি তথা শংসাপত্র উদ্ধার করেন, যার ভিত্তিতে বিদেশে টাকা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু নথি পরীক্ষায় ধরা পড়ে, ওই শংসাপত্রগুলি আদতে ভুয়ো। যেসব কোম্পানির মাধ্যমে টাকা পাচার হয়েছে, সেগুলির বাস্তবে কোনও অস্তিত্ব নেই। কোনও কিছু যাচাই না করেই ওই দুই সিএ ভুয়ো সার্টিফিকেট ইস্যু করে গিয়েছেন।
এই বিষয়টি সামনে আসতেই ভাই ও বোন, দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে আয়কর কর্তারা জেরা করেন। পুলিশের কাছে আয়করের অভিযোগ, ওই দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেরায় স্বীকার করেন যে, তাঁরা নথি যাচাই না করেই এই সার্টিফিকেট ইস্যু করেছেন টাকার বিনিময়ে। শুধু তাই নয়, তাঁরা কাগুজে কোম্পানিগুলি খুলতে সব রকম সাহায্য করেছেন। তারই ভিত্তিতে ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ৫৫৫ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৯৫১ টাকা চলে গিয়েছে বাইরে। আয়কর দফতরের দাবি, এর ফলে অর্থনৈতিক দিক থেকে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আয়কর আধিকারিকদের মতে, ওই দুই ভাই ও বোন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছাড়াও এই বিপুল টাকা পাচারের পিছনে একটি চক্র কাজ করছে। ওই চক্রের সদস্যরা অভিযুক্ত দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তারাও বিভিন্নভাবে টাকা পাচারে সাহায্য করেছে। তাই তাদেরও সন্ধান চালানোর প্রয়োজন। এই মর্মেই এক আয়কর কর্তা ফুলবাগান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
{{/usCountry}}এই বিষয়টি সামনে আসতেই ভাই ও বোন, দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে আয়কর কর্তারা জেরা করেন। পুলিশের কাছে আয়করের অভিযোগ, ওই দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেরায় স্বীকার করেন যে, তাঁরা নথি যাচাই না করেই এই সার্টিফিকেট ইস্যু করেছেন টাকার বিনিময়ে। শুধু তাই নয়, তাঁরা কাগুজে কোম্পানিগুলি খুলতে সব রকম সাহায্য করেছেন। তারই ভিত্তিতে ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ৫৫৫ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৯৫১ টাকা চলে গিয়েছে বাইরে। আয়কর দফতরের দাবি, এর ফলে অর্থনৈতিক দিক থেকে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আয়কর আধিকারিকদের মতে, ওই দুই ভাই ও বোন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছাড়াও এই বিপুল টাকা পাচারের পিছনে একটি চক্র কাজ করছে। ওই চক্রের সদস্যরা অভিযুক্ত দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তারাও বিভিন্নভাবে টাকা পাচারে সাহায্য করেছে। তাই তাদেরও সন্ধান চালানোর প্রয়োজন। এই মর্মেই এক আয়কর কর্তা ফুলবাগান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, সম্প্রতি কড়েয়া থানায় এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের বিরুদ্ধে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ ওঠে। ফুলবাগানের ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত দুই ভাই-বোনকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।