...
...
Next Story

5th Pay Commission DA: বকেয়া DA মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন না! উপদেশ দেওয়া হল রাজ্য সরকারকে

পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মেটানো নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে রাজ্য সরকার। গত ৫ ফেব্রুয়ারি রায়দান করা হয়েছে বকেয়া ডিএ মামলার। তারপর থেকে কোনও মন্তব্য করেনি রাজ্য সরকার।

Published on: Feb 10, 2026, 19:49:49 IST
Advertisement

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) রায়ের পরে পাঁচদিন কেটে গিয়েছে। তারইমধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে সপ্তম বেতন কমিশনেরও। তবে মহার্ঘ ভাতা বিষয়ে সরাসরি কোনও উত্তর দেওয়ার পথে হাঁটলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে তিনি বলেন, ‘আমি এটা (ডিএ) নিয়ে কোনও প্রশ্নের উত্তর দেব না। যা বলার আমি বিধানসভায় (বলে দিয়েছি) বা ওইদিন আপনারা প্রশ্ন করেছিলেন, সেটা আমি দিয়ে দিয়েছি। বাকিটা (বলতে গেলে) বিষয়টা সাব-জুডিস। আমি সাব-জুডিস বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না।’

কোন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে এরকম কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএফপি)
পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএফপি)

আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন একটি অসমাপ্ত প্রশ্নের প্রেক্ষিতে। যদিও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নিজের প্রশ্ন শেষ করার আগেই মুখ্যমন্ত্রী উত্তর দেন। ওই সাংবাদিক বলেন, ‘যদিও বিধানসভার সময় বলেছেন যে মহার্ঘ ভাতা চার শতাংশ দেওয়া হবে….।’ আর সেটুকু বলার পরই মুখ্যমন্ত্রী উত্তর দিতে শুরু করেন। তিনি জানান, ডিএয়ের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন আছে। তাই কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না।

আদালতের পথে না হেঁটে রাজ্যকে ডিএ প্রদানের উপদেশ

যে বিষয়টি একেবারেই ভালোভাবে নিচ্ছেন না রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। মুখ্যমন্ত্রী ডিএয়ের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, ‘মহার্ঘ ভাতার ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায় প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কী করে বলেন এই বিষয়টি বিচারাধীন? অযথা সময় এবং অর্থ ব্যয় করে রিভিউ পিটিশনে না গিয়ে অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টের এই চূড়ান্ত রায় মেনে নিক সরকার। না হলে ক্ষোভের আগুন দাবানলে পরিণত হবে।’

সুপ্রিম কোর্ট কী কী নির্দেশ দিয়েছে?

সেইসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, বাকি ৭৫ শতাংশ ডিএ বকেয়া মেটানোর জন্য একটি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের উপরে থাকা আর্থিক বোঝা এবং রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কমিটির উপরে। বকেয়া প্রদানের বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe