...
...
Next Story

5th Pay Commission DA Arrear Latest Update: 'সরকারের দেওয়ার কথা ১০০ টাকা, তারা দিচ্ছে ৫৩', বকেয়া ডিএ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ

আপাতত ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। অবশ্য আগের ঘোষণা মতো দুই দফায় নয়, বরং এক দফাতেই এই বকেয়া অর্থ দেওয়া হবে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের। এদিকে সরকারের দেওয়া টাকার পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা।

Published on: Mar 29, 2026, 08:16:36 IST
Advertisement

পঞ্চম বেতন কমিশনের অধীনে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ ৩১ মার্চের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এই আবহে রাজ্য সরকার গত ১৩ মার্চ জানিয়েছিল, আপাতত ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে দুই দফায়। তবে এবার সরকার জানিয়ে দিল, দুই দফায় নয়, এক দফাতেই এই কিস্তির বকেয়া মিটিয়ে দিতে চলেছে সরকার। আগামী ৩১ মার্চ কিংবা তাঁর আগেই বকেয়া এই মহার্ঘ ভাতা পেয়ে যাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা।

সরকারের দেওয়া বকেয়া ডিএ টাকার পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা
সরকারের দেওয়া বকেয়া ডিএ টাকার পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা

সরকার জানিয়েছে, চতুর্থ শ্রেণির কর্মী, অবসরপ্রাপ্ত ও পারিবারিক পেনশনভোগীরা টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাবেন। অন্য কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র কিস্তি জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। এদিকে জিপিএফ-এ জমা হওয়া টাকা অন্তত ২ বছর তোলা যাবে না। তবে কোনও কর্মী যদি এই সময়ের মধ্যে অবসর নেন, চাকরি ছাড়েন বা মৃত্যু হয়, তাহলে টাকা সঙ্গে সঙ্গে তোলা যাবে। এদিকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মী বা পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ-র কিস্তির টাকা জমা হবে পেনশন অ্যাকাউন্টে।

এদিকে একবারে এই কিস্তির বকেয়া ডিএ পাওয়া গেলেও সরকারের 'হিসেবে' অসন্তুষ্ট সরকারি কর্মীরা। এই নিয়ে ডিএ আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না সরকার, তার থেকে অনেক কম পরিমাণ টাকা দেওয়া হচ্ছে কর্মীদের। এই নিয়ে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, 'অল ইন্ডিয়া কনজিউমার ইন্ডেক্স মেনে যে পরিমাণ টাকা সরকারি কর্মীদের পাওয়ার কথা, তা তাঁরা পাচ্ছেন না। যেখানে রাজ্য সরকারের ১০০ টাকা দেওয়ার কথা, সেখানে তারা পাঠিয়েছে মাত্র ৫৩ টাকা। পোর্টালের মাধ্যমে বকেয়া টাকার পরিমাণ জেনে নেওয়ার পরেও সরকার কম টাকা দিচ্ছে।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe