State Athletics Championships 2026 Records: ৪১ বছরের রেকর্ড চুরমার! রাজ্য অ্যাথলেটিক্সে ভাঙল ১০ নজির, ইতিহাস গড়লেন দীপ
State Athletics Championships 2026 Records: রাজ্য অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় দিনে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে একের পর এক রেকর্ড তৈরি হল। দিনের সবথেকে বড় স্টার হয়ে থাকলেন দীপ পণ্ডিত। যিনি ৪১ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন।
State Athletics Championships 2026 Records: রাজ্য অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় দিনে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে রেকর্ডের বন্যা বয়ে গেল। বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক বিভাগে একের পর এক মোট ১০টি নতুন মিট রেকর্ড তৈরি হল। তবে শনিবারের সবচেয়ে বড় চমক ছিল পুরুষদের সিনিয়র ৩০০০ মিটার স্টিপলচেজ। যেখানে ভাঙল দীর্ঘ ৪১ বছর ধরে অক্ষত থাকা এক ঐতিহাসিক রেকর্ড।বাজিমাত করলেন এসওপিসির অ্যাথলিট দীপ পণ্ডিত। মাত্র ৯:২০.৪৬ মিনিট সময় নিয়ে সোনা জেতার পাশাপাশি নতুন ইতিহাস গড়লেন। ভেঙে দিলেন ১৯৮৫ সালে ইস্টবেঙ্গলের পি.টি. জোসেফের গড়া ৯:২২.৩ মিনিটের সেই রেকর্ড।

মেয়েদের রেস ওয়াকেও নতুন ইতিহাস
অনূর্ধ্ব-২৩ মহিলাদের ২০০০ মিটার রেস ওয়াকে মোহনবাগানের মন্তারিনা ঘরামি ২:০২:২২.৩৮ সময় নিয়ে নতুন মিট রেকর্ড গড়লেন। ২০২৩ সালে শুক্লা বিশ্বাসের গড়া ২:০৬:৪৪.০৩ মিনিটের রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দেন। অন্যদিকে, অনূর্ধ্ব-১৮ ছেলেদের ৫০০০ মিটার রেস ওয়াকে ইস্টবেঙ্গলের অভ্র মণ্ডল ২৩:৫৬.৩৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন। তিনি মালদা ডিএসএর পলাশ মণ্ডলের ২০২৫ সালের রেকর্ড (২৪:২৭.০০) ভাঙেন।
হকার্স ও মিডল ডিস্টেন্সে দাপট
স্প্রিন্ট হার্ডলসে নিজের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন মোহনবাগানের বিদিশা কুন্ডু। অনূর্ধ্ব-২৩ মহিলাদের ১০০ মিটার হার্ডলসে তিনি ১৪.৪৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে নতুন মিট রেকর্ড তৈরি করেন। এর আগে ২০২৩ সালে ইস্টবেঙ্গলের মৌমিতা মণ্ডলের করা রেকর্ডটি (১৪.৭০ সেকেন্ড) ছিল।
মিডল ডিস্টেন্স বা মধ্যম দূরত্বের দৌড়েও এসেছে একাধিক রেকর্ড। অনূর্ধ্ব-১৬ মেয়েদের ৬০০ মিটার দৌড়ে নদিয়ার গুঞ্জন মণ্ডল ১:৩৮.৪৬ মিনিটে রেস শেষ করে নতুন রেকর্ড গড়েন। ২০২৪ সালে ইস্টবেঙ্গলের রূপালী দাসের রেকর্ড (১:৪০.১০) ভাঙেন। আবার ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৬ বিভাগের ৬০০ মিটার দৌড়ে ইস্টবেঙ্গলের সান রায় ১:২৪.৬৭ মিনিটে দৌড় শেষ করে মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার অরিজিৎ পাল রেকর্ড গড়েন।
স্টিলপচেজে রেকর্ডের ছড়াছড়ি
চলতি বছরের মিটে স্টিপলচেজ ইভেন্ট যেন ইতিহাস লেখার জন্যই তৈরি হয়েছিল। প্রায় প্রতি বিভাগে রেকর্ড ভেঙেছে। অনূর্ধ্ব-২৩ ছেলেদের ৩০০০ মিটার স্টিপলচেজে জলপাইগুড়ির প্রশান্ত ওরাওঁ ৯:১৫.৩৯ মিনিটে দৌড় শেষ করে একলাফে অনেকটা সময় কমিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন। ২০২৪ সালে গোবিন্দ মজুমদারের করা রেকর্ড ছিল ১০:২৪.০১ মিনিট। অন্যদিকে, অনূর্ধ্ব-২০ ছেলেদের ৩০০০ মিটার স্টিপলচেজে হাওড়ার বিশ্বজিৎ সাউ ৯:৪৩.৯৭ মিনিটে নতুন রেকর্ড গড়েন এবং প্রশান্ত ওরাওঁ-র ২০২৫ সালের রেকর্ড ভেঙে দেন।
আরও পড়ুন: Bengal Tourism Policy: 'সংবেদনশীল' জায়গায় পর্যটকদের দাপাদাপি রুখতে চাইছে রাজ্য! জোর IIT-র ডেটার উপরে
লং জাম্প ও ট্রিপল জাম্পেও নতুন নজির
শুধু ট্র্যাক নয়, ফিল্ড ইভেন্টেও চলল রেকর্ডের দাপট। অনূর্ধ্ব-২০ ছেলেদের লং জাম্পে হুগলির রাজীব রায় ৭.৩৫ মিটার লাফিয়ে এক দশক প্রাচীন রেকর্ড ভাঙেন। ২০১৫ সালে শিলিগুড়ির বিপুল ওরাওঁ ৭.২৮ মিটারের রেকর্ড গড়েছিলেন। পাশাপাশি, অনূর্ধ্ব-২৩ মহিলাদের ট্রিপল জাম্পে মোহনবাগানের নুপূর পাণ্ডে ১২.৩৯ মিটার লাফিয়ে ২০২৩ সালে নিজের ক্লাবেরই ডালিয়া পারভিনের ১২.১১ মিটারের রেকর্ড ভেঙে দেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


