INS Mahendragiri Weapons and Missiles: সাগরে ‘ব্রহ্মস’ নিয়ে রেডি ভারত! নয়া ‘ব্লু-ওয়াটার’ রণতরী চোখে সর্ষেফুল দেখাবে চিন
INS Mahendragiri Weapons and Missiles: ভারতীয় নৌসেনায় যুক্ত হল 'আইএনএস মহেন্দ্রগিরি': সমুদ্রের গভীরে শত্রুকে গুঁড়িয়ে দিতে প্রস্তুত ভারতের এই নতুন যুদ্ধজাহাজ। যা ভারতীয় মহাসাগর এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
INS Mahendragiri Weapons and Missiles: ভারতীয় নৌসেনায় যুক্ত হল নয়া রণতরী 'আইএনএস মহেন্দ্রগিরি। এটি নৌসেনার ‘প্রজেক্ট ১৭এ’-র অধীনে নির্মিত ষষ্ঠ অত্যন্ত অত্যাধুনিক এবং দেশীয় প্রযুক্তির স্টিলথ ফ্রিগেট। আর বিশাখাপত্তনমে কমিশনার অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আইএনএস মহেন্দ্রগিরিকে একটি শক্তিশালী 'ব্লু-ওয়াটার ওয়ারশিপ' বা গভীর সমুদ্রের যুদ্ধজাহাজ হিসেবে বর্ণনা করেন। অর্থাৎ সেই রণতরী এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে দীর্ঘদিন গভীর সমুদ্রে থাকতে সক্ষম হয়। কোনও বন্দরে নোঙর করতে হবে না। ফলে চিনের প্রভাব ঠেকাতে ভারতীয় মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আরও শক্তিশালী হবে ভারতের হাত।

'ট্রিপল অ্যাটাক' রুখতে পারবে
তিনি বলেন, ‘আইএনএস মহেন্দ্রগিরি আকাশপথের হানা, সমুদ্রের উপরিভাগে থাকা শত্রুপক্ষের জাহাজ এবং সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা সাবমেরিন— তিন ধরনের বিপদকেই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করতে সক্ষম। এই যুদ্ধজাহাজ কেবল ভারতের উপকূলবর্তী এলাকা নয়, বরং উপকূল থেকে বহু দূরে গভীর মহাসাগরেও একটানা সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে ভারতের সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে।’
আইএনএস মহেন্দ্রগিরি কেন এত স্পেশাল?
বিশেষজ্ঞদের মতে, আইএনএস মহেন্দ্রগিরি কোনও সাধারণ যুদ্ধজাহাজ নয়। এটি একটি মাল্টি-মিশন স্টিলথ ফ্রিগেট, যা সামুদ্রিক অভিযানের সমস্ত রকম প্রতিকূলতা সামলাতে সক্ষম।
১) ওজন ও গতি: সম্পূর্ণ লোড বা অস্ত্রশস্ত্র-সহ এই যুদ্ধজাহাজের ওজন প্রায় ৬,৬৭০ টন। এটি সর্বোচ্চ ২৮ নট গতিবেগে সমুদ্রের বুকে ছুটতে পারে।
২) স্টিলথ প্রযুক্তি ও অটোমেশন: এই জাহাজে উন্নতমানের স্টিলথ ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে শত্রুপক্ষের রাডারে সহজে এর অবস্থান ধরা পড়বে না। এছাড়া জাহাজটিতে উচ্চমানের অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা রয়েছে।
৩) আত্মনির্ভর ভারত: প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, এই যুদ্ধজাহাজ তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণের ৭৫ শতাংশেরও বেশি উপাদান সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতে তৈরি। এটি ভারতের নিজস্ব ডিজাইন ও উৎপাদন দক্ষতার এক দুর্দান্ত প্রমাণ।
ব্রহ্মস মিসাইল ও বিধ্বংসী অস্ত্রে সজ্জিত
শত্রুপক্ষকে নিমেষের মধ্যে ধ্বংস করার জন্য আইএনএস মহেন্দ্রগিরিতে যুক্ত করা যেতে পারে বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগামী এবং মারাত্মক ক্রুজ মিসাইল ‘ব্রহ্মস’। এছাড়া এই ফ্রিগেটে মাল্টি-ফাংশন রাডার, দূরপাল্লার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি রকেট লঞ্চার, টর্পেডো লঞ্চার এবং একটি সমন্বিত অ্যান্টি-সাবমেরিন ডিফেন্স সিস্টেমে সজ্জিত। আকাশ বা জলের নিচে যে কোনও আক্রমণ রুখতে এতে রয়েছে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট এবং ক্লোজ-ইন ওয়েপন সিস্টেম।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


