যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা ঘিরে ক্রমেই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। ক্যাম্পাসের ভিতর ছাত্র সংঘর্ষ, পরে বহিরাগত তাণ্ডবের ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে উপাচার্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। ঘটনায় এক তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে।

২০ আগস্ট রাতে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি বা বহিরাগতরা বেআইনিভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে বলে অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে, কলা-বিজ্ঞান ভবনের সংযোগ রাস্তায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের গাড়িবারান্দায় পতাকা, পোস্টার ও অন্যান্য সামগ্রীতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী প্রতীক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তাঁর সাফ বার্তা, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রাজ্যের উৎকর্ষকেন্দ্র। এর যাতে উন্নতি হয়, সারা ভারতে স্বীকৃতি পায়, তা আমরা সবাই চাই। আমি চাই সব ধরনের রাজনৈতিক লোকজন যাদবপুরে অশান্তি প্ররোচিত করা থেকে দূরে থাকুন।’ তিনি বলেন, ‘প্ররোচনার ফাঁদে ছাত্রদেরও পা দেওয়া উচিত নয়। দীর্ঘ দিন ধরে নানা কারণে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরও ক্ষতি হতে দেবেন না।’ স্বপন দাশগুপ্ত এক ভিডিয়ো বার্তায় বলেন, ‘আমার মূল্যায়ন হলো, ছাত্রদের সমস্যা ছাত্ররাই মিটিয়ে নিক। বাইরের লোক যত কম নাক গলায় ততই ভালো।’ তিনি বলেন, ‘এটা কোনও দলীয় বার্তা নয়, আমার মনের কথা।’
এদিকে, ঘটনা ঘিরে রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপন বর্মনও মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, ‘যাদবপুরের ভাবমূর্তি কী তা গোটা দেশ বা পৃথিবী জুড়ে সকলেই জানেন। ভারতবর্ষকে টুকরো করার কথা বলবে, আর কেউ কিছু বলবেন না সেটা হতে পারে না।’ দীপক বর্মন বলেন, ‘যা রিপোর্ট পেয়েছি, তাতে বোঝা গিয়েছে ঐতিহ্যবাহী প্রতীক এক বিশেষ পক্ষের তরফে ভাঙা হয়েছে। যাঁরা ভেঙেছেন তারাই আজ বড় কথা বলছেন। এটা হওয়া উচিত নয়।’ যদিও যাদবপুরের ঘটনায় রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কোনও বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি।
{{/usCountry}}এদিকে, ঘটনা ঘিরে রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপন বর্মনও মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, ‘যাদবপুরের ভাবমূর্তি কী তা গোটা দেশ বা পৃথিবী জুড়ে সকলেই জানেন। ভারতবর্ষকে টুকরো করার কথা বলবে, আর কেউ কিছু বলবেন না সেটা হতে পারে না।’ দীপক বর্মন বলেন, ‘যা রিপোর্ট পেয়েছি, তাতে বোঝা গিয়েছে ঐতিহ্যবাহী প্রতীক এক বিশেষ পক্ষের তরফে ভাঙা হয়েছে। যাঁরা ভেঙেছেন তারাই আজ বড় কথা বলছেন। এটা হওয়া উচিত নয়।’ যদিও যাদবপুরের ঘটনায় রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কোনও বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, যাদবপুরের ক্ষতিগ্রস্ত প্রতীক ভেঙে যাওয়ার পর ফের তার মেরামতি করে শুক্রবার বিকেলে তা প্রতিস্থাপিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সেলিমবক্স মণ্ডল জানান, শুক্রবারই গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। জানা গিয়েছে, বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত কোনও প্রতিনিধিকে রাখা হয়নি সেখানে।