Toy Train: পুজোর ছুটিতে ভ্রমণপিপাষু পর্যটকরা শৈলশহরে পা রাখবেন না, তা হতেই পারে না। আর দার্জিলিং মানেই হেরিটেজ তকমাধারী টয় ট্রেনে (Toy Train) চেপে মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি উপভোগ করা। সেক্ষেত্রে ফি বছরই পুজোর মরশুমে পর্যটকদের ভিড় সামলাতে গিয়ে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (ডিএইচআর) (DHR) কর্তৃপক্ষকে হিমসিম খেতে হয়। তাই টয় ট্রেনের প্রতি পর্যটকদের সেই আকর্ষণের কথা মাথায় রেখে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিল ডিএইচআর। পুজোর ভ্রমণে টয় ট্রেন যাত্রার মধ্য দিয়ে পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে স্মরণ করার সুযোগ পাবেন পর্যটকরা।

পুজোর মরশুমে পর্যটকদের ভিড়ের কথা ভেবে পাহাড়ে আরও ছয়টি নতুন জয়রাইড চালুর কথা জানিয়েছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। তাই টিকিট পেতে খুব একটা সমস্যা হবে না বলেই মনে করছে রেল কর্তৃপক্ষ। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, হেরিটেজ রেলের ইতিহাস, স্টিম ইঞ্জিন প্রযুক্তি এবং পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বাদ দিতেই এই বাড়তি উদ্যোগ৷ নতুন পরিষেবাগুলির মধ্যে দার্জিলিং ও ঘুম স্টেশনের মধ্যে ডিজেল ইঞ্জিন চালিত চারটি রাউন্ড ট্রিপ জয়রাইড রাখা হয়েছে, যা দার্জিলিং থেকে ছাড়বে সকাল ৯ টা ২০ মিনিট ও ১১ টা ২৫ মিনিটে এবং ঘুম থেকে ফেরত আসবে ১০ টা ২৫ মিনিট ও ১২ টা ৩০ মিনিটে৷ ভাড়া যাত্রীপিছু ৮০০ টাকা ধার্য হয়েছে।
শৈলশহরের পাশাপাশি কার্শিয়াং থেকে মহানদী পর্যন্ত রুটে ‘রেড পান্ডা’ ও ‘মুক্তধারা’ নামে পৃথক দুটি জয়রাইডও চালু করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্ম ও পাগলাঝোড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে সম্মান জানাতেই এই নাম রাখা হয়েছে। রাউন্ড ট্রিপ জয়রাইডের ক্ষেত্রে ডিএইচআর কর্তৃপক্ষের তরফে চালু হতে চলা রেড পান্ডা জয়রাইডে ঐতিহ্যবাহী বাষ্পচালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। বিশেষ ওই জয়রাইডে কুণ্ডলী পাঁকানো ধোঁয়া উড়িয়ে ছুটে চলা টয় ট্রেনে বসে পাহাড়ে নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া ধার্য হয়েছে ১,৫৩০ টাকা। পরবর্তী জয়রাইড মুক্তধারায় ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার হওয়ায় ভাড়া খানিকটা কম। এক্ষেত্রে যাত্রীপিছু ১,০৩০ টাকা। 'রেড পান্ডা' নামের প্রথম স্টিম চালিত ট্রিপটি সকাল ৯ টায় কার্শিয়াং থেকে ছেড়ে ১০ টায় মহানদী থেকে ফিরবে৷ দ্বিতীয় ডিজেল চালিত রাউন্ড ট্রিপ 'মুক্ত ধারা' বিকেল ৩ টে ১৫ মিনিটে কার্শিয়াং থেকে ছেড়ে ৪ টেয় মহানদী থেকে ফিরবে।
একদিকে যেমন পর্যটন মরশুমে জয়রাইড বাড়ানো হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে ট্রেন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় লোকো পাইলটের ঘাটতি মেটাতেও তৎপর হয়েছে ডিএইচআর কর্তৃপক্ষ৷ বর্তমানে ডিএইচআরে ৭০ জন লোকো পাইলট কর্মরত রয়েছেন৷ যাঁরা বর্তমানে সাতটি জয়রাইড, জঙ্গল সাফারি-সহ নানা পরিষেবা সামলাচ্ছেন৷ তবে, একটি ডিজেল ইঞ্জিনে দু'জন এবং একটি স্টিম ইঞ্জিনের জয়রাইড চালাতে চার জন করে লোকো পাইলটের প্রয়োজন হয়৷ ফলে নতুন পরিষেবা চালু হলে কর্মীদের ওপর যাতে চাপ না-বাড়ে, তাই ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে অপশন কল করার পর প্রায় ১৫ জন লোকো পাইলট বা ইঞ্জিন ক্লিনার পদে নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে৷ ডিএইচআর-এর ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, 'নতুন লোকো পাইলট নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন হয়ে যাবে৷ নতুন জয়রাইড ও কর্মী নিয়োগের এই জোড়া পদক্ষেপে উৎসবের দিনগুলিতে পাহাড়ের পর্যটন এক নতুন মাত্রা পাবে৷'
{{/usCountry}}একদিকে যেমন পর্যটন মরশুমে জয়রাইড বাড়ানো হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে ট্রেন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় লোকো পাইলটের ঘাটতি মেটাতেও তৎপর হয়েছে ডিএইচআর কর্তৃপক্ষ৷ বর্তমানে ডিএইচআরে ৭০ জন লোকো পাইলট কর্মরত রয়েছেন৷ যাঁরা বর্তমানে সাতটি জয়রাইড, জঙ্গল সাফারি-সহ নানা পরিষেবা সামলাচ্ছেন৷ তবে, একটি ডিজেল ইঞ্জিনে দু'জন এবং একটি স্টিম ইঞ্জিনের জয়রাইড চালাতে চার জন করে লোকো পাইলটের প্রয়োজন হয়৷ ফলে নতুন পরিষেবা চালু হলে কর্মীদের ওপর যাতে চাপ না-বাড়ে, তাই ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে অপশন কল করার পর প্রায় ১৫ জন লোকো পাইলট বা ইঞ্জিন ক্লিনার পদে নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে৷ ডিএইচআর-এর ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, 'নতুন লোকো পাইলট নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন হয়ে যাবে৷ নতুন জয়রাইড ও কর্মী নিয়োগের এই জোড়া পদক্ষেপে উৎসবের দিনগুলিতে পাহাড়ের পর্যটন এক নতুন মাত্রা পাবে৷'
{{/usCountry}}