...
...
Next Story

পাকস্থলীতে রহস্যজনক পদার্থ! স্কটিশ চার্চ কলেজের ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু, বাড়ছে রহস্য

ইতিমধ্যে ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তদন্তে নেমেছে বড়তলা থানার পুলিশ।

Published on: Jan 31, 2026, 18:17:45 IST
Advertisement

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দিন সাতেক আগে কলেজের হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ওই ছাত্রী। অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। ইতিমধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্কটিশ চার্চ কলেজের ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)
স্কটিশ চার্চ কলেজের ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)

সূত্রের খবর, মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। ত্রিপুরার বাসিন্দা ঋষিতা স্কটিশ চার্চ কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। কলেজের হস্টেলে থাকতেন। গত ২৪ জানুয়ারি বেলা ১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ছাত্রীর মা মেয়েকে বার বার ফোন করেও না পেয়ে ঋষিতার রুমমেটকে ফোন করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর হস্টেলের সিক রুমে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায় ঋষিতাকে। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভর্তি করানো হয় আইসিইউ-তে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। ইতিমধ্যে ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তদন্তে নেমেছে বড়তলা থানার পুলিশ। দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের পাকস্থলীর মধ্যে রহস্যজনক পদার্থের উপস্থিতি মিলেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ইতিমধ্যেই ওই ছাত্রীর শরীরের সমস্ত নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক এর জন্য পাঠানো হয়েছে। নখ, রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে স্টেট ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। হোস্টেল কর্তৃপক্ষ, নিরাপত্তা রক্ষী এবং যাদের সঙ্গে ওই ছাত্রী থাকতেন, তাদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। হস্টেলের অন্য পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, গত ২৩ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ হস্টেলে ফিরেছিলেন ঋষিতা। তখন থেকেই বেশ অসুস্থ বোধ করছিলেন তিনি। রুমমেটকে সে কথা জানিয়েও ছিলেন। এরপর হস্টেলের চার তলার সিক রুমে চলে যান তিনি। তারপর তাঁকে আর বেরোতে দেখা যায়নি। পর দিন সেখান থেকেই অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে। কী ভাবে ছাত্রীর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই ছাত্রী বিষপান করেছিলেন কিনা, সেই প্রশ্ন উঠছে। তিনি মানসিক কোনও অবসাদে ভুগছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে ওই ছাত্রীর মৃত্যু হয়, সেক্ষেত্রে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হলেন না, সেই প্রশ্ন উঠছে। সব দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe