Abhishek CID investigation: অভিষেককে সাড়ে ৩৬ ঘণ্টা সময় দিল CID, কালকের জিজ্ঞাসাবাদে এড়িয়েছেন প্রশ্ন?
Abhishek CID investigation: বিধানসভার সই জালিয়াতি কাণ্ডে বৃহস্পতিবার ভবানী ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা চলে জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব। তারপর রাতে বের হন ভবানী ভবন থেকে।
Abhishek CID investigation: বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা ৫০ মিনিট নাগাদ ঢুকেছিলেন। বেরিয়েছেন রাত ১১ টা ৩০ মিনিট নাগাদ। আর সেই ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের সাড়ে ৩৬ ঘণ্টা পরেই বিধানসভার সই জালিয়াতি কাণ্ডে ফের ভবানী ভবনে হাজিরা দিতে হবে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সিআইডি সূত্রে খবর, আগামী রবিবার বেলা ১২ টায় তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে। তবে কী কারণে ফের অভিষেককে তলব করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ-পর্বে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে রাজ্যে গোয়েন্দা সংস্থার তরফে কিছু জানানো হয়নি। কোনও মন্তব্য করেননি অভিষেকও। ভবানী ভবন থেকে বের হওয়ার সময় কথা বলেননি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে।

হাইকোর্টের নির্দেশ ও অভিষেকের হাজিরা
আর অভিষেক যে বৃহস্পতিবার সিআইডির কাছে হাজিরা দেন, তা কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরে। সাময়িকভাবে রক্ষাকবচ দেওয়া হলেও হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় যে বিধানসভার সই জালিয়াতি কাণ্ডে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছ'টার মধ্যে সিআইডির কাছে হাজিরা দিতে হবে অভিষেককে। যিনি বিভিন্ন কারণ দর্শিয়ে তিনবার হাজিরা এড়িয়েছিলেন। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশের পরে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে ভবানী ভবনে চলে আসেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: একের পর এক উইকেট পতন! মমতার দল ভাঙার নেপথ্যে কী?
তদন্তে অসহযোগিতা অভিষেকের?
সংবাদমাধ্যম টিভি নাইন বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদের সময় নাকি সহযোগিতা করেননি অভিষেক। সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সিআইডি যে স্পেশাল টিম গঠন করেছে, তারই অফিসারকে অভিষেককে প্রশ্ন করেছেন। কিন্তু বিভিন্ন প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। কখনও বলেছেন যে 'জানি না'. কখনও আবার বলেছেন যে 'বলতে পারব না'। সেজন্যই তাঁকে ফের রবিবার তলব করা হয়েছে কিনা, তা নিয়ে সিআইডির তরফে কিছু জানানো হয়নি।
আসল রেজোলিউশন কপির সন্ধানে CID
এমনিতে গত মঙ্গলবার কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি লাগোয়া তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে অভিযান চালায় সিআইডি। গত ৬ মে তৃণমূল যে বৈঠক করেছিল, সেখানে গৃহীত হওয়া রেজোলিউশনের আসল কপির সন্ধান চালান অফিসাররা। অভিযোগ উঠেছে, ওই রেজোলিউশনের ভিত্তিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য অভিষেক চিঠি পাঠালেও সেখানে অনেক সই জালিয়াতি করা হয়েছে। ৭০ জনের মধ্যে ১৪ জনের স্বাক্ষর বড় হাতে ছিল বলেও অভিযোগ ওঠে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


