চোরবাগানের পুজোয় পদপিষ্টের ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী একটি ছবি (সেই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি HT বাংলা) পোস্ট করে কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা দাবি করলেন যে 'চোরবাগান সর্বজনীন পুজো কমিটিতে শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপোর যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে।'

২০১৫ সালের দেশপ্রিয় পার্কের পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি, গত বছর যুবভারতীতে লিওনেল মেসি কাণ্ড-সহ অসংখ্য দাগ গায়ে নিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া দলের সাংসদ অভিষেক চোরবাগানের ঘটনার পরই শুভেন্দু সরকারকে নিশানা করেছেন। তিনি বলেন, 'চোরবাগান পুজো মণ্ডপে পদপিষ্টের ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত ও উদ্বিগ্ন।'
সেই সঙ্গে তিনি বলেন, পুজোয় বেরিয়ে সাধারণ মানুষকে কেন নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হবে? জমিদারদের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বাংলার সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও রাজ্য সরকারের দায়িত্ব। মানুষের জীবনের চেয়ে বড় কোনও অগ্রাধিকার হতে পারে না। এই ঘটনার যথাযথ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। আহত প্রত্যেকের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। এই কঠিন সময়ে তাঁদের ও তাঁদের পরিবারের সকলের প্রতি রইল আমার আন্তরিক সমবেদনা ও প্রার্থনা। মা দুর্গা তাঁদের এই দুঃসময় কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও সাহস দিন।'
সেখানেই থামেননি অভিষেক। এতদিন যিনি 'ভাইপো' তিরে বিদ্ধ হতেন, সেই সাংসদ বলেন, 'চোরবাগান সর্বজনীন পুজো কমিটিতে শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপোর যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর (সরকারিভাবে ১৭ জনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে) খবরও সামনে এসেছে।
অপরাধী ভাইপোকে জেলে কবে ঢোকাচ্ছেন শুভেন্দুবাবু?
{{/usCountry}}অপরাধী ভাইপোকে জেলে কবে ঢোকাচ্ছেন শুভেন্দুবাবু?
{{/usCountry}}১৮ জনের মৃত্যুর দাগ কিন্তু ডবল ইঞ্জিন ওয়াশিং মেশিনেও উঠবে না। আর ভাইপোর সঙ্গে বিজয় ওঝা আর তমোঘ্ন ঘোষকেও ভুলবেন না। রাজধর্ম পালন করুন।'
যদিও সেই অভিযোগ নিয়ে আপাতত বিজেপির তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য স্পষ্টভাষায় জানিয়েছেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। খতিয়ে দেখা হবে যাবতীয় দিক।
উল্লেখ্য, সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজো মণ্ডপে ভিড়ের অতিরিক্ত চাপে তৈরি হয় অনভিপ্রেত ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। ঠাকুর দেখার উদ্দেশ্যে মণ্ডপের বাইরে হাজার-হাজার দর্শনার্থীর ভিড় জমলে হুড়োহুড়ি ও ধাক্কাধাক্কিতে পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। আহতদের দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জনের।
তারইমধ্যে চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্টের ঘটনায় পুলিশ এবং উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং দর্শনার্থীরা। ঘটনার আকস্মিকতায় পরিস্থিতি আরও যাতে জটিল না হয়ে ওঠে, তার জন্য কলকাতা পুলিশ তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেয়। চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপে প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আরও একাধিক পুজো মণ্ডপ।
উল্লেখ্য, সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজো মণ্ডপে ভিড়ের অতিরিক্ত চাপে তৈরি হয় অনভিপ্রেত ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। ঠাকুর দেখার উদ্দেশ্যে মণ্ডপের বাইরে হাজার-হাজার দর্শনার্থীর ভিড় জমলে হুড়োহুড়ি ও ধাক্কাধাক্কিতে পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। আহতদের দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জনের।
তারইমধ্যে চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্টের ঘটনায় পুলিশ এবং উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং দর্শনার্থীরা। ঘটনার আকস্মিকতায় পরিস্থিতি আরও যাতে জটিল না হয়ে ওঠে, তার জন্য কলকাতা পুলিশ তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেয়। চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপে প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আরও একাধিক পুজো মণ্ডপ।