২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা ‘ডিজে’ মন্তব্য নিয়ে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় গত ১৫ মে অভিযোগ জানিয়েছিলেন রাজীব সরকার। সেই রাজীব আজ গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু তিনি অভিযোগকারী হওয়া সত্ত্বেও ভবানী ভবনে তাঁকে লিফট ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করলেন তিনি। সঙ্গে তাঁর আরও দাবি, অভিযুক্ত অভিষেককেই নাকি ভিআইপি ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয় সিআইডির তরফ থেকে।

নিজের ফেসবুক পোস্টে রাজীব সরকার লেখেন, 'আজ ভবানী ভবনের ভিতরে না গেলে আমি জানতেই পারতাম না ভিআইপি ট্রিটমেন্ট কাকে বলে? কোনদিনও গ্রেফতার হবে না। পুরোটাই চিত্রনাট্য। অভিযুক্ত নয়, যেন শাহেনশা ঢুকছে। গেটে অভিযোগকারীকেই আটকে দিয়ে বসে থাকার নির্দেশ। একতলায় লিফ্ট নীচে দাঁড় করিয়ে পুলিশের অপেক্ষা। অভিযোগকারীকে সিঁড়ি দিয়ে তিনতলায় ওঠার নির্দেশ দিল সিআইডি। আমাকে লিফ্ট ব্যবহার করতেই দিল না।'
এদিকে রাজীব আজ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'সিআইডি যদি কিছু না করে, আমরা খুব কোর্টে মুভ করব।' তাঁর কথায়, 'যে কোনও এমপি, যে কোনও এমএলএ-র এরকম উত্তেজনামূলক ভাষণ, বিশেষ করে ভোটের সময় দেওয়া যায় না৷ যেখানে ওঁনারা বলছেন আমরা দেখে নেব, ডিজে বাজাব ৪ তারিখের পরে৷ এই ধরনের যে কোনও মন্তব্য করা যায় না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের যে মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য অভিষেক করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘গুন্ডাদের’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। তাই এই দুই মন্তব্যের কোনও তুলনা হয় না।'
এদিকে কেবলমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই নয়, ঋজু দত্তের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়েছেন রাজীব সরকার। এই প্রসঙ্গ রাজীব বলেন, 'ঋজু দত্ত যে স্টেটমেন্ট দিয়েছিল, ফেসবুকে যে কনফেশন দিয়েছিলেন, সেই স্বীকারোক্তি খুব ভয়ঙ্কর। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, এলাকা ভিত্তিক লিস্ট তৈরি করা হয়েছে৷ সেটা কীসের লিস্ট? ওঁর বক্তব্য এটাও ছিল যে ভোটের পরে যদি তৃণমূল আসত, প্রচুর মহিলার উপরে অত্যাচার চলত। ভয়ঙ্কর অভিযোগ।'
{{/usCountry}}এদিকে কেবলমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই নয়, ঋজু দত্তের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়েছেন রাজীব সরকার। এই প্রসঙ্গ রাজীব বলেন, 'ঋজু দত্ত যে স্টেটমেন্ট দিয়েছিল, ফেসবুকে যে কনফেশন দিয়েছিলেন, সেই স্বীকারোক্তি খুব ভয়ঙ্কর। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, এলাকা ভিত্তিক লিস্ট তৈরি করা হয়েছে৷ সেটা কীসের লিস্ট? ওঁর বক্তব্য এটাও ছিল যে ভোটের পরে যদি তৃণমূল আসত, প্রচুর মহিলার উপরে অত্যাচার চলত। ভয়ঙ্কর অভিযোগ।'
{{/usCountry}}