...
...
Next Story

Abhishek's Army-Navy-Air Force comment: 'তৃণমূলের বুথকর্মীরা ইন্ডিয়ান আর্মি, আমরা নেভি', কারা অভিষেকের 'এয়ারফোর্স'?

'আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধার' কনক্লেভে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই কনক্লেভ থেকে অভিষেক দাবি করেন, বুথস্তরের কর্মীরা হলেন আর্মি, তাঁরা হলেন নেভি, আর সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীরা হলেন এয়ারফোর্স।

Published on: Jan 12, 2026, 18:44:54 IST
Advertisement

বুথস্তরের কর্মীরা হলেন আর্মি, তাঁরা হলেন নেভি, আর সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীরা হলেন এয়ারফোর্স - এমনই দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে 'আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধার' কনক্লেভে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বলেন, ‘একদিকে নেভি, একদিকে আর্মি, একদিকে এয়ারফোর্স। তৃণমূলের বুথকর্মীরা যদি ইন্ডিয়ান আর্মি হন, তাহলে আমরা ইন্ডিয়ান নেভি, আর সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স।’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের তিন বাহিনী যদি সমন্বয় বজায় রেখে এগিয়ে চলে এবং লড়াই করে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীরা ধূলিসাৎ হয়ে যাবে।

সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীদের চাঙ্গা করতে বার্তা অভিষেকের

'আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধার' কনক্লেভে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
'আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধার' কনক্লেভে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আসলে সেই বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই সোমবার 'আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধার' কনক্লেভের আয়োজন করা হয়। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে যখন মেরেকেটে দেড় মাস বাকি, সেই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের কর্মীদের চাঙ্গা করতে সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে।

সেই লক্ষ্যেই সোমবারের কনক্লেভ থেকে ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’-দের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেন অভিষেক। তাঁরা যাতে নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, বিরোধীদের ‘মিথ্যাচার’ খণ্ডন করে দেন, তৃণমূল সরকারের ভালো কাজের প্রচার করেন, তার উপরে জোর দেন। কোনওরকম রাখঢাক না করে অভিষেক জানান, আসন্ন ১১০ দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখন ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’-দের জীবনে ছুটি, রবিবার, শনিবার বলে কিছু থাকবে না। এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর দিতে হবে। যা ছুটি মিলবে, সেটা আগামী মে'তে তৃণমূল ফের সরকার গঠন করার পরে।

আর্মি, নেভি, এয়ারফোর্স- তৃণমূলেও আছে, দাবি অভিষেকের

সেই রেশ ধরে দলের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার জন্য অভিষেক বলেন, ‘আগেকার দিনে যখন যুদ্ধ হত, ধরুন আজ থেকে ৫০০ বছর আগে। কীভাবে যুদ্ধ হত? হাতি, ঘোড়া - এসব করে যুদ্ধ হত। লোকে ঘোড়ায় বসে যুদ্ধ করতে যেত। কেউ হাতিতে বসে যেত। হেঁটে যেত। আজ কীভাবে যুদ্ধ হয়? নেভি, আর্মি, এয়ার ফোর্স - কীভাবে যুদ্ধ হয়? এভাবে তো। তৃণমূল কংগ্রেসকে আপনি যদি তিনটি ভাগে ভাগ করেন, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের আর্মি....ভারতের ডিফেন্স যদি দেখেন, তাহলে তিনটি ভাগ আছে - ইন্ডিয়ান আর্মি, ইন্ডিয়ান নেভি, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স।’

আর্মি, নেভি ও এয়ারফোর্স নিয়ে আর কী বললেন অভিষেক?

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe