Abhishek Banerjee House: কলকাতা পুরসভার বেআইনি নির্মাণ বিরোধী নোটিস ঘিরে একদিন আগেই সরব হয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি ছিল, কোন অংশকে বেআইনি বলা হচ্ছে, তা আগে স্পষ্ট করে জানাতে হবে পুরসভাকে। সেই তথ্য জানার পরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জবাব দেবেন। সাংবাদিকদের সামনে তিনি মেজাজ হারিয়ে উচ্চস্বরে কথা বলেছিলেন। এবার অবশ্য সুর নরম করলেন অভিষেক। পুরসভাকে চিঠি দিয়ে সময় চাইলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক।

সম্প্রতি কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ হরিশ মুখার্জি রোড এবং কালীঘাট রোডের একাধিক সম্পত্তিতে নোটিস পাঠায়। অভিযোগ, ওই সব ভবনে অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মাণ হয়েছে। পুরসভার পক্ষ থেকে কলকাতা পুর আইন ১৯৮০-এর ৪০০(১) ধারায় নোটিস দিয়ে সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট 'বেআইনি অংশ' ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কারণ দর্শানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।
শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের আগে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগকে জিজ্ঞেস করা উচিত কোন অংশটি বেআইনি। তাঁর বক্তব্য, 'যে অংশ বেআইনি, তা চিহ্নিত করে দেখাক, তারপর আমি উত্তর দেব।' পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর পরিবার বা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত মোট ১৭টি সম্পত্তি এখন পুরসভার নজরে রয়েছে। কোথাও সম্পত্তি কর বকেয়া, কোথাও অনুমোদিত নকশা বহির্ভূত নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা কর বকেয়ার কথাও উঠে এসেছে।
এদিকে তৃণমূলের অন্দরেও এই ইস্যু নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি মন্তব্য করেছেন, আইন মেনে শুনানি ছাড়া কোনও বাড়ি ভাঙা উচিত নয়। বুলডোজার চালানোর আগে আইনি প্রক্রিয়া মানার উপর জোর দেন তিনি। যদিও সেই মন্তব্য সরাসরি অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।
{{/usCountry}}এদিকে তৃণমূলের অন্দরেও এই ইস্যু নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি মন্তব্য করেছেন, আইন মেনে শুনানি ছাড়া কোনও বাড়ি ভাঙা উচিত নয়। বুলডোজার চালানোর আগে আইনি প্রক্রিয়া মানার উপর জোর দেন তিনি। যদিও সেই মন্তব্য সরাসরি অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।
{{/usCountry}}