...
...
Next Story

Abhishek-Kunal Fight: কালীঘাটের বৈঠকে তুমুল বচসা অভিষেক-কুণালের, গলার আওয়াজ শোনা যায় বাইরেও

Abhishek-Kunal Fight: কুণালকে অভিষেক বলেন, 'তুমি সুমিত রায়ের সম্পর্কে সংবাদমাধ‌্যমে বিরূপ বিবৃতি দিয়েছ, আমাকে নিয়েও বলেছ।' কুণাল বলেন, 'একশোবার দিয়েছি। সুমিত দলের কেউ নন। তাঁকে ডিফেন্ড করতে পারব না। কিন্তু তোমাকে নিয়ে কিছু বলিনি।'

Published on: Jun 14, 2026, 07:42:46 IST
Advertisement

Abhishek-Kunal Fight: তৃণমূল কংগ্রেসে সাংগঠনিক রদবদলের আবহে কালীঘাটে দলের কর্মসমিতির বৈঠক ঘিরে শনিবার নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বৈঠকে একটি সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। প্রথমে আলোচনার পর্যায়ে থাকলেও পরে তা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে গড়ায়।

কালীঘাটের বৈঠকে একটি সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ।
কালীঘাটের বৈঠকে একটি সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ।

জানা গিয়েছে, সংগঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু বিষয়টি পরে বিবেচনা করার পক্ষে মত দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অবস্থানেই আপত্তি জানিয়ে কুণাল ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর দু'পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং বৈঠকের পরিবেশ কিছু সময়ের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উঠে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন বলে দাবি করা হয় রিপোর্টে। এই বৈঠকেই দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় একাধিক পরিবর্তনের ঘোষণা করা হয়। উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। যুব সংগঠনের সভাপতি হয়েছেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়কেও কর্মসমিতিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে নিয়ে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া কুণালের বক্তব্যের বিরোধিতা করেন অভিষেক। এই প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, সুমিত দলের কেউ নয়, তাই সুমিতের হয়ে কথা বলার দায় তাঁর নেই। পরে মমতাকেও কুণাল জানিয়ে দেন, সুমিতের হয়ে ইতিবাচক কথা তিনি বলতে পারবেন না। এই সময় বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও উত্তেজনা কমাতে উঠে দাঁড়ান। দাবি করা হয়, চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ নাকি ঘরের বাইরেও শোনা যায়। বৈঠক শেষে অভিষেক-কুণালের বাদানুবাদ নিয়ে তৃণমূলের কেউ মুখ খোলেননি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe