...
...
Next Story

Sumit Roy Latest Update: কালীঘাটের অন্য বাসিন্দাদের নামে একাধিক সিম! অভিষেকের পিএ সুমিত ফের হেফাজতে

তদন্তকারীদের দাবি, অন্যের নামে নেওয়া বেশ কয়েকটি সিম এখনও সক্রিয় রয়েছে। সেগুলি কী ভাবে সুমিতের হাতে এল, কার অনুমতিতে ব্যবহার করা হত এবং এতগুলি নম্বর রাখার প্রয়োজনই বা কেন হয়েছিল, এখন সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Published on: Oct 4, 2026, 10:48:18 IST
Advertisement

এক ফোন নয়, একাধিক মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পুলিশের দাবি, তার মধ্যে একটি সিম ছিল তাঁর নিজের নামে। বাকি সিমগুলি তোলা হয়েছিল অন্য কয়েক জনের পরিচয়ে। আরও তাৎপর্যপূর্ণ, ওই সিমের মালিকেরা সকলেই কালীঘাট এবং সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এই তথ্য সামনে আসার পরই মামলার তদন্তে নতুন করে তৎপর হয়েছে শালবনী থানার পুলিশ।

তদন্তকারীদের দাবি, অন্যের নামে নেওয়া বেশ কয়েকটি সিম এখনও সক্রিয় রয়েছে। (PTI)
তদন্তকারীদের দাবি, অন্যের নামে নেওয়া বেশ কয়েকটি সিম এখনও সক্রিয় রয়েছে। (PTI)

বেআইনি বালি পাচারের মামলায় ধৃত সুমিতকে জেরা করে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে আদালতে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের আরও দাবি, অন্যের নামে নেওয়া বেশ কয়েকটি সিম এখনও সক্রিয় রয়েছে। সেগুলি কী ভাবে সুমিতের হাতে এল, কার অনুমতিতে ব্যবহার করা হত এবং এতগুলি নম্বর রাখার প্রয়োজনই বা কেন হয়েছিল, এখন সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার শুনানিতে সরকারি আইনজীবী সৈয়দ নাজিম হাবিব জানান, এর আগে সুমিতকে দীর্ঘ সময় পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সেই জেরায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। বিশেষ করে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং তাতে থাকা সিম সংক্রান্ত তথ্য তদন্তের নতুন দিক খুলে দিয়েছে।

পুলিশের অনুমান, একাধিক নম্বর ব্যবহারের পিছনে আর্থিক লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। তদন্তকারীদের একটি অংশ মনে করছেন, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা পাঠানো বা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এই অনুমান এখনও নিশ্চিত নয়। এমন কোনও লেনদেনের নির্দিষ্ট প্রমাণ আদালতে সামনে আনা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

প্রয়োজনে সুমিতের সঙ্গে ওই ব্যক্তিদের মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হতে পারে। এই কারণেই আরও কয়েক দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়েছিল তদন্তকারী দল। তবে আদালত সেই আবেদন পুরোপুরি মঞ্জুর করেনি। শুনানির পরে সুমিতের জামিনের আবেদন খারিজ করে তাঁকে আরও দুদিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুমিতের বিরুদ্ধে এর আগেও পৃথক মামলায় তদন্ত চলেছে। শালবনীর জমি সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারের পর নতুন করে তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে বালি পাচারের মামলাতেও যুক্ত করা হয়। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে চলা তদন্তের পরিধি আরও বাড়ছে।

এখন পুলিশের সামনে মূলত কয়েকটি প্রশ্ন। অন্যের নামে সিম ব্যবহার করার অনুমতি সুমিত কী ভাবে পেলেন, ওই নম্বরগুলির মাধ্যমে কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হত, কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না এবং সেই লেনদেনের সঙ্গে বালি পাচারের মামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না। সব দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

কালীঘাটের বাসিন্দাদের নামে সিম ব্যবহারের তথ্য সামনে আসায় রাজনৈতিক আলোচনাও শুরু হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে তদন্তে যা উঠে এসেছে, তা পুলিশের দাবি এবং অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। সিমের মালিকেরা এই ঘটনার সঙ্গে আদৌ যুক্ত কি না, তা স্পষ্ট হবে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং পরবর্তী তদন্তের পরেই।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks