সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্থা, জামা ছেঁড়া, মারধর, ডিম ছোঁড়ার ঘটনায় তুঙ্গে শোরগোল শহর কলকাতায়। আহত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শহরের এক নামি হাসপাতালে এরপর নিয়ে যাওয়া হয়। খানিকক্ষণের মধ্যেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে রওনা হন মমতা। তিনিও পৌঁছে যান হাসপাতালে। দেখা যায় হুইল চেয়ারে করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ঢোকানো হচ্ছে। তার খানিক পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ওই হাসপাতালে ঢুকে যায়। পরে অভিষেককে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হন মমতা।

এদিন, ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে দেখা করার উদ্দেশে সোনারপুর যান অভিষেক। রাস্তায় বেশ কিছুটা জায়গায় এগোনোর পর তিনি চারচাকা গাড়ি থেকে নেমে বাইকে যান। সেই সময়ই বেশ কিছু স্থানীয় তাঁকে উদ্দেশ্য করে ডিম ছোঁড়েন। তাঁর জামা ছিঁড়ে দেন। ‘চোর চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনী সে অভিষেককে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরে অভিষেককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারধরের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘শাসকই ঘাতক হয়ে উঠল। লজ্জা হওয়া উচিত বিজেপির।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল তার বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘শংস আক্রমণের পরেও সঞ্জু কর্মকারের শোকাহত পরিবারকে পরিত্যাগ করতে চাননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের সামনে আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুখ ফিরিয়ে নেননি। বরং, তিনি বিজেপি-সমর্থিত গুন্ডাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সহানুভূতির রাজনীতি এবং ঘৃণার রাজনীতির মধ্যে এটাই পার্থক্য।’ কংগ্রেসের তরফে মল্লিকার্ডুন খাড়গে ঘটনার নিন্দা করেন। প্রতিবাদে সরব হন ইন্ডি জোটের অখিলেশ যাদবও।
এদিকে, এর আগে, সোনারপুরে তৃণমূলের আক্রান্ত তথা প্রয়াত কর্মীর বাড়িতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, 'ওরা আমার প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক, আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। কিন্তু আমি জায়গা ছেড়ে যাব না।'
{{/usCountry}}এদিকে, এর আগে, সোনারপুরে তৃণমূলের আক্রান্ত তথা প্রয়াত কর্মীর বাড়িতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, 'ওরা আমার প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক, আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। কিন্তু আমি জায়গা ছেড়ে যাব না।'
{{/usCountry}}ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিজেপির তরফে শমীক ভট্টাচার্য বলেন,'আজ বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে বলেই তৃণমূলের নেতারা অক্ষত রয়েছেন। ওরা যে পরিমাণ অত্যাচার মানুষের উপর করেছে, আমাদের জেলা সভাপতি, আমাদের দলের কর্মীদের উপর করেছে, তারপর আমরা ছিলাম বলেই ওদের বিধায়ক,সাংসদরা এখনও এই অবস্থায় আছেন। অন্য কোনও দল থাকলে এতক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে বলার সুযোগ পেতেন না। '