...
...
Next Story

She parking zone in Kolkata: শুধু মহিলারা গাড়ি পার্কিং করতে পারবেন! কলকাতায় চালু হল 'শি পার্কিং জোন', কোথায়?

শুধুমাত্র মহিলারাই পার্কিং করতে পারবেন - কলকাতার দ্বিতীয় মল হিসেবে 'শি পার্কিং' জোন চালু করল অ্যাক্রোপলিস মল। গত বছর সাউথ সিটি মলের তরফে পিঙ্ক পার্কিং জোন চালু করা হয়েছিল। আর এবার অ্যাক্রোপলিস মলে 'শি পার্কিং' জোনের উদ্বোধন করা হল।

Published on: Jan 30, 2026, 16:58:42 IST
Advertisement

শুধুমাত্র মহিলারাই পার্কিং করতে পারবেন - কলকাতার দ্বিতীয় মল হিসেবে 'শি পার্কিং' জোন চালু করল অ্যাক্রোপলিস মল। গত বছর সাউথ সিটি মলের তরফে পিঙ্ক পার্কিং জোন চালু করা হয়েছিল। আর এবার অ্যাক্রোপলিস মলে 'শি পার্কিং' জোনের উদ্বোধন করা হল। সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কলকাতার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সাউথ সাবার্বান ডিভিশন) বিদিশা কলিতা এবং অভিনেত্রী সোনালি চৌধুরী। মল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, মহিলা ক্রেতাদের নিরাপত্তা ও সুবিধার কথা মাথায় রেখে 'শি পার্কিং জোন' চালু করা হয়েছে।

কলকাতায় চালু 'শি পার্কিং' জোন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
কলকাতায় চালু 'শি পার্কিং' জোন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

মলের আপার বেসমেন্ট পার্কিং এরিয়ায় ‘শি পার্কিং জোন’ আছে। যাতে সহজেই বোঝা যায়, সেজন্য বেগুনি রঙের জেব্রা ক্রসিং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে ওই জোনটা। প্রাথমিক পর্যায়ে সেই জোনে ১০টি দু'চাকার এবং দুটি চারচাকার গাড়ি রাখা যাবে। সহায়তার জন্য প্রশিক্ষিত কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। যাঁরা সেখানে গাড়ি পার্কিং রাখবেন, তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে আগামিদিনে আরও ‘শি পার্কিং জোন’-র বহর আরও বাড়ানো হবে বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়াও 'উইশ কেয়ার' কর্মসূচির অধীনে মহিলাদের স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে ওয়াশরুম জুড়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন ডিসপেন্সিং মেশিন ও ভেন্ডিং মেশিন বসানোর পথে হেঁটেছে অ্যাক্রোপলিস মল কর্তৃপক্ষ। ফানস্মার্ট নলেজ সলিউশন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সেই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রি করে যে অর্থ উঠবে, তা মেয়েদের শিক্ষায় খরচ করা হবে।

আর সেই জোড়া উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কলকাতার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সাউথ সাবার্বান ডিভিশন) বলেন, ‘আমার এটা দেখে খুবই ভালো লাগছে যে মহিলাদের জন্য আমাদের সমাজ অনেক কিছু ভাবছে। তাঁদের সুরক্ষার কথা ভাবা হচ্ছে। এই উদ্যোগ আমার খুব ভালো লেগেছে। মহিলাদের হাইজিনের কথা ভেবে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন ও ডিসপোজাল বিন বসানো হয়েছে মলজুডে, সেটাকে স্বাগত জানাই। সেখান থেকে উঠে আসা অর্থ শিশুদের পড়াশোনার কাজে লাগানো হবে। এই পুরো উদ্যোগের জন্য আমার শুভকামনা রইল।’ একই সঙ্গে অভিনেত্রী সোনালি চৌধুরী বলেন, ‘বিশেষভাবে মহিলা স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে এই উদ্যোগ সামাজিক ভাবে প্রশংসনীয়।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe