Mid-Day Meal by ISKCON: আগেই কলকাতার স্কুলগুলির মিড-ডে মিলের জন্য দায়িত্ব পেয়েছিল ইসকন (ISKCON)। আর এবার পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল বা পিএম পোষণ প্রকল্পের খাবার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে ইসকনকে। স্কুলশিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, পুরুলিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুরের কয়েকটি এলাকায় মিড-ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে। এই সংস্থাটিও ইসকনের।

দেশের একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যেই ইসকন মিড-ডে মিল (Mid-Day Meal) পরিচালনা করছে। পশ্চিমবঙ্গে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম বাজেটেই কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল। সে সময়েই সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, কলকাতায় এই ব্যবস্থা সফল হলে পরবর্তী কালে রাজ্যের অন্যান্য এলাকাতেও তা সম্প্রসারিত করা হতে পারে। কলকাতায় কিছু স্কুলে এই প্রকল্প চালুর পর অবশ্য খাবার পৌঁছোতে দেরি হওয়া থেকে শুরু করে নিরামিষ খাবার দেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। পরে রাজ্য সরকার আলাদা ভাবে পড়ুয়াদের ডিম দেওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়। বর্তমানে সেই ব্যবস্থাও চালু রয়েছে। তবে শহরের সমস্ত স্কুল এখনও এই প্রকল্পের আওতায় আসেনি। সরকারি সূত্রে আগেই জানানো হয়েছিল, ধাপে ধাপে সমস্ত স্কুলকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনতে বেশ কয়েক মাস সময় লাগবে। এর মধ্যেই এবার প্রকল্পের পরিধি বাড়ানো হল।
স্কুলশিক্ষা দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিধাননগর, দমদম এবং রাজারহাট-নিউ টাউন এলাকার স্কুলগুলিতে ইসকনকে মিড-ডে মিল সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হাওড়া ও পুরুলিয়া জেলা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম-১ ও নন্দীগ্রাম-২ ব্লকেও এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওই সংস্থাকে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১১ জুলাই ওই সংস্থার পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রস্তাব বিবেচনার পর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে এই প্রকল্প কবে থেকে চালু হবে, কত দ্রুত সমস্ত স্কুলকে এর আওতায় আনা হবে, তা নিয়েও নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি। স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তা বলেন, বিষয়গুলি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা আরও কয়েক দিনের মধ্যে স্পষ্ট হতে পারে। অর্থাৎ, খুব শীঘ্রই রাজ্যের একাধিক জেলায় স্কুলের পড়ুয়াদের কাছে মিড-ডে মিল পৌঁছোনোর নতুন পর্ব শুরু হতে চলেছে।
{{/usCountry}}স্কুলশিক্ষা দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিধাননগর, দমদম এবং রাজারহাট-নিউ টাউন এলাকার স্কুলগুলিতে ইসকনকে মিড-ডে মিল সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হাওড়া ও পুরুলিয়া জেলা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম-১ ও নন্দীগ্রাম-২ ব্লকেও এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওই সংস্থাকে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১১ জুলাই ওই সংস্থার পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রস্তাব বিবেচনার পর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে এই প্রকল্প কবে থেকে চালু হবে, কত দ্রুত সমস্ত স্কুলকে এর আওতায় আনা হবে, তা নিয়েও নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি। স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তা বলেন, বিষয়গুলি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা আরও কয়েক দিনের মধ্যে স্পষ্ট হতে পারে। অর্থাৎ, খুব শীঘ্রই রাজ্যের একাধিক জেলায় স্কুলের পড়ুয়াদের কাছে মিড-ডে মিল পৌঁছোনোর নতুন পর্ব শুরু হতে চলেছে।
{{/usCountry}}এই প্রসঙ্গে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘সরকার যে জেলা দিয়ে প্রথম ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল দেওয়া শুরু করেছিল, সেই কলকাতা জেলার ৮০ শতাংশ স্কুলকেই এখনও ইসকনের মিড-ডে মিলের আওতায় নিয়ে আসতে পারল না, আবার অন্য জেলায় প্রসার বিস্তার করছে। পুরো ব্যবস্থা ঠিক ভাবে হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়।'