সদ্য রবিবার, হুগলির সিঙ্গুরে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে সফর করেছেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিনি প্রশাসনিক অকঝাঁক প্রকল্পের যেমন উদ্বোধন করেন, তেমনই রাজনৈতিক সভাও করেন। সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে মোদীর বার্তায় উঠে আসে কর্মসংস্থান ইস্যু। সেখানের মঞ্চ থেকে মোদী স্পষ্ট বলেন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক না করলে লগ্নি আসবে না রাজ্যে। এরপর আগামী সপ্তাহে সেই সিঙ্গুরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রধানমন্ত্রীর সভার পর এবার সিঙ্গুরে যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিঙ্গুরে রয়েছে তাঁর প্রশাসনিক সভা। আগামী বুধবার, ২৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে প্রশসনিক সভায় অংশ নেবেন দিদি। সেখানে তিনি, ১৬ লক্ষ পরিবারকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে পাকা বাড়ি বানানোর প্রথম কিস্তির টাকা তুলে দেবেন। প্রশাসনিক কর্মসূচির সভাস্থল থেকে মমতা কোনও রাজনৈতিক বার্তা কি দেবেন? ফের সিঙ্গুরকে ঘিরে কি রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হবে? কর্মসংস্থান ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি মোদীর বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেবেন? এমন বহু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর সভার ১০ দিনের মাথায় দিদির এই সভা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর সভার পরেই সিঙ্গুরে মুখ্যমন্ত্রীর সভা নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। এমনই দাবি তৃণমূল সূত্রের। পরে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে জানানো হয়, প্রশাসনিক সভার জন্য ২৮ ডিসেম্বর সময় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই জানা যায়, আগামী সপ্তাহে সিঙ্গুরে প্রশাসনিক সভা করতে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য়, সিঙ্গুরের সভা থেকে রাজ্যের কর্মসংস্থান নিয়ে কোনও সুনির্দিষ্ট প্রকল্পের কথা বলেননি প্রধানমন্ত্রী। সেই জায়গা থেকে ২০২৬ ভোটকে নজরে রেখে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি কোনও বার্তা দেবেন? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরে চড়ছে কৌতূহলের পারদ।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য়, সিঙ্গুরের সভা থেকে রাজ্যের কর্মসংস্থান নিয়ে কোনও সুনির্দিষ্ট প্রকল্পের কথা বলেননি প্রধানমন্ত্রী। সেই জায়গা থেকে ২০২৬ ভোটকে নজরে রেখে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি কোনও বার্তা দেবেন? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরে চড়ছে কৌতূহলের পারদ।
{{/usCountry}}