...
...
Next Story

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে ফের হাজিরা এড়ালেন অভিষেক, ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে পুলিশের কাছে ইমেল

সোমবার সকাল ১০টায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও থানায় পৌঁছননি তিনি। বদলে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে পুলিশকে ইমেল পাঠিয়েছেন অভিষেক। ফলে গত ২৭ অগস্টের ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনা নিয়ে তদন্তে নতুন করে জটিলতা তৈরি হল।

Published on: Oct 12, 2026, 11:42:30 IST
Advertisement

ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড খোলা ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় কলকাতা পুলিশের তলবে সাড়া দিলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকাল ১০টায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও থানায় পৌঁছননি তিনি। বদলে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে পুলিশকে ইমেল পাঠিয়েছেন অভিষেক। ফলে গত ২৭ অগস্টের ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনা নিয়ে তদন্তে নতুন করে জটিলতা তৈরি হল। কেন তিনি নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হলেন না, সে বিষয়ে অভিষেকের বিস্তারিত বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি।

গত রবিবারই অভিষেকের কালীঘাটের বাসভবনে গিয়ে নতুন করে নোটিস দিয়েছিল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। (@AITCofficial X)
গত রবিবারই অভিষেকের কালীঘাটের বাসভবনে গিয়ে নতুন করে নোটিস দিয়েছিল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। (@AITCofficial X)

গত রবিবারই অভিষেকের কালীঘাটের বাসভবনে গিয়ে নতুন করে নোটিস দিয়েছিল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। ওই নোটিসে সোমবার সকালে থানায় হাজির হয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিষেকের দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরার পর তাঁর বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা। নোটিসটি গ্রহণ করেন তাঁর ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে গত সপ্তাহেও নোটিস দিতে অভিষেকের বাড়িতে গিয়েছিলেন পুলিশকর্মীরা। কিন্তু তিনি বাড়িতে না থাকায় সে বার নোটিস দেওয়া সম্ভব হয়নি।

কী ঘটেছিল ক্যামাক স্ট্রিটে?

গত ২৭ অগস্ট কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের কার্যালয়ের ছাদে থাকা একটি বড় বিলবোর্ড খোলার জন্য সেখানে যান কলকাতা পুরসভার কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পুলিশকর্মীরাও। পুরসভার দাবি ছিল, বিলবোর্ডটি অনুমোদনহীন। সেটি সরানোর কাজ শুরু হতেই তৃণমূল কর্মী, অভিষেকের নিরাপত্তারক্ষী, পুরকর্মী এবং পুলিশের মধ্যে বচসা থেকে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ কার্যালয়ের ভিতরে ঢোকার পর বিলবোর্ডটি খুলে ফেলা হয়।

ক্যামাক স্ট্রিটের ওই ঘটনা নিয়ে এর আগেও অভিষেককে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। গত ১ সেপ্টেম্বর শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হয়েছিলেন তিনি। প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে। এ বার তদন্তের প্রয়োজনে ফের তাঁকে তলব করা হয়েছিল।

অন্য দিকে, বিলবোর্ড খোলার পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিষেকও পুরসভার পদক্ষেপের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ফলে ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসন ও শাসকদলের মধ্যে টানাপড়েন অব্যাহত রয়েছে।

এখন নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপে। অভিষেকের চাওয়া ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। তদন্তকারীরা তাঁকে ফের কবে হাজির হতে বলবেন, সেটাই এখন দেখার। ক্যামাক স্ট্রিটের সংঘর্ষের ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতেও নজর রয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks