...
...
Next Story

খড়গপুর আইআইটিতে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ, হিরণের বিরুদ্ধে পোস্টার

অনেকের অভিযোগ, পাঁচ বছরে তাঁকে কার্যত খুঁজেই পাওয়া যায়নি। বিজেপির কর্মীরাও নাকি জানেন না তিনি কখন এলাকায় আসেন, কখনই বা চলে যান। এমনকি তাঁর নিজের ওয়ার্ডেই পানীয় জলের সমস্যা এখনও মেটেনি, স্থানীয়দের এমন ক্ষোভও স্পষ্ট।

Published on: Nov 16, 2025, 13:38:15 IST
Advertisement

খড়গপুর আইআইটি চত্বরে একের পর এক পোস্টার পড়তেই রেল শহরে ছড়াল তীব্র চাঞ্চল্য। পোস্টারে সরাসরি অভিযোগ, আইআইটির শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে নাকি টাকার বিনিময়ে কর্মী নিয়োগ করান এলাকার বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। আইআইটি কর্তৃপক্ষ ও হিরণের মধ্যে ‘গোপন আঁতাত’ রয়েছে বলেও লেখা রয়েছে কয়েকটি পোস্টারে। পোস্টারের নিচে বড় করে ছাপা ‘ভারত মাতার জয়’। ফলে কারা পোস্টার দিয়েছে, তা নিয়ে জল্পনার পারদ আরও বেড়েছে।

খড়গপুর আইআইটিতে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ, হিরণের বিরুদ্ধে পোস্টার
খড়গপুর আইআইটিতে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ, হিরণের বিরুদ্ধে পোস্টার

আরও পড়ুন: আবারও অস্বাভাবিক মৃত্যু! হোস্টেলে পড়ুয়ার ঝুলন্ত দেহ, তোলপাড় IIT খড়্গপুর

বিজেপির মধ্যেই অনেকের মতে, এ কাজ তৃণমূলের হতে পারে, তবে একইসঙ্গে গেরুয়া শিবিরের অন্দরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দিকেও সন্দেহ যাচ্ছে। দলের একাংশের বক্তব্য, আইআইটির সঙ্গে বিধায়কের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ রয়েছে অনেক নেতার। হিরণ ‘নিজের জগতে থাকেন’, দল ও বিধানসভা এলাকার মানুষের জন্য নাকি সময়ই দেন না, এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দলের এক নেতার কথায়, তিনি এমন ‘ডুমুরের ফুল’ যাঁকে দেখা পাওয়াই দুষ্কর। ফলে অসন্তুষ্ট বিজেপি নেতারাই পোস্টার লাগিয়ে থাকতে পারেন।

তবে হিরণ চট্টোপাধ্যায় কোনও পাল্টা অভিযোগ তোলেননি। বরং হাস্যরসের সুরে মন্তব্য করেছেন, যিনি করেছেন, খুব ভালো করেছেন। এতে তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। আরও পোস্টার লাগুক। তাঁর এমন মন্তব্যে অন্দরের ক্ষোভ কতটা গভীর তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রেল শহরের রাজনীতিতে বিজেপির উত্থান শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে, দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে। ২০১৯ লোকসভা ভোটে সেই উত্থান আরও মজবুত হয়, সাংসদ হন দিলীপ ঘোষ। তার পরেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বহু নেতা-কর্মী। এই আবহেই ২০২১ বিধানসভা ভোটে খড়গপুর সদরের প্রার্থী হন অভিনেতা হিরণ। প্রচারের সময় তাঁর প্রতিশ্রুতির ঝুলি ছিল ঠাসা, আর সারা রাজ্যে তৃণমূল এগোলেও রেল শহর হিরণকে জয়ী করেছিল। কিন্তু জয়ের পর থেকেই ক্ষোভ বাড়তে থাকে এলাকার মানুষের। অনেকের অভিযোগ, পাঁচ বছরে তাঁকে কার্যত খুঁজেই পাওয়া যায়নি। বিজেপির কর্মীরাও নাকি জানেন না তিনি কখন এলাকায় আসেন, কখনই বা চলে যান। এমনকি তাঁর নিজের ওয়ার্ডেই পানীয় জলের সমস্যা এখনও মেটেনি, স্থানীয়দের এমন ক্ষোভও স্পষ্ট।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe