...
...
Next Story

হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে জমি দখলের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইয়ের বিরুদ্ধে সরব প্রতিবেশী

‘সোনার তরী’ নামে পরিচিত এই চারতলা বাড়িটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলে জানা যায়। এই বাড়ি এবং রাস্তার উল্টো দিকের একটি গ্যারেজের জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকার বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা।

Published on: Jun 26, 2026, 12:39:46 IST
Advertisement

কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটকে ঘিরে ফের শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। তবে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ৩০-বি নয়, ৮০-এ হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। ‘সোনার তরী’ নামে পরিচিত এই চারতলা বাড়িটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলে জানা যায়। এই বাড়ি এবং রাস্তার উল্টো দিকের একটি গ্যারেজের জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকার বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা। যদিও সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘সোনার তরী’ নামে পরিচিত এই চারতলা বাড়িটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলে জানা যায়। (PTI)
‘সোনার তরী’ নামে পরিচিত এই চারতলা বাড়িটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলে জানা যায়। (PTI)

রঞ্জনা হাজরার দাবি, যে জমির উপর চারতলা বাড়িটি তৈরি হয়েছে এবং রাস্তার উল্টো দিকের গ্যারেজটি রয়েছে, সেই জমি তাঁদের পরিবারের। তাঁর বক্তব্য, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট এলাকায় তাঁদের পূর্বপুরুষদের নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবসা ছিল এবং রাস্তার দুই পাশেই তাঁদের পরিবারের একাধিক ঠিকা ও কেনা জমি রয়েছে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেই সম্পত্তি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁদের পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।

সম্প্রতি রঞ্জনা হাজরা জনতার দরবারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে বর্তমান সরকার বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করবে।

রঞ্জনার ভাইও একই অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, রাস্তার উল্টো দিকের গ্যারেজটি তাঁদের পারিবারিক সম্পত্তির উপর তৈরি। আগে সেই গ্যারেজ ভাড়া দিয়ে তাঁদের পরিবারের আয় হতো। তাঁর অভিযোগ, ১৯৯৯ সালে জোর করে সেই জমি দখল করা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, সেই সময় তাঁকে মারধর করে কালীঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ওই এলাকায় থাকতেন না, পরে জোর করে ওই জমির দখল নেন। এতদিন এই ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে পারেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একদিকে জমি দখলের অভিযোগ, অন্যদিকে বৈধ মালিকানার দাবি—দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড়। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের আবহে এখন প্রশাসন বা আদালতের তদন্তেই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe