...
...
Next Story

Kolkata Private Tutor Arrested: খাস কলকাতায় ধর্ষণ! পানীয়র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে ছাত্রীকে নির্যাতন, গ্রেফতার গৃহশিক্ষক

Kolkata Private Tutor Arrested: দিন চারেক আগে ওই গৃহশিক্ষক বাড়িতে পড়তে ডাকেন ছাত্রীকে। কিশোরীর অভিযোগ, পড়ানোর ‘অছিলায়’ তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছিলেন গৃহশিক্ষক। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁকে যে পানীয় দেওয়া হয়, তাতে আগে থেকেই মাদকজাতীয় কিছু মেশানো ছিল।

Published on: Jul 12, 2026, 19:14:47 IST
Advertisement

Kolkata Private Tutor Arrested: খাস কলকাতায় ফের ধর্ষণের অভিযোগ। দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে বাড়িতে ডেকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে রবিবার আদালতে হাজির করিয়েছে লেকটাউন থানার পুলিশ।

পানীয়র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে ছাত্রীকে নির্যাতন, গ্রেফতার গৃহশিক্ষক
পানীয়র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে ছাত্রীকে নির্যাতন, গ্রেফতার গৃহশিক্ষক

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ওই শিক্ষকের নাম অনিমেষ নাগ। দিন চারেক আগে ওই গৃহশিক্ষক বাড়িতে পড়তে ডাকেন ছাত্রীকে। কিশোরীর অভিযোগ, পড়ানোর ‘অছিলায়’ তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছিলেন গৃহশিক্ষক। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁকে যে পানীয় দেওয়া হয়, তাতে আগে থেকেই মাদকজাতীয় কিছু মেশানো ছিল। সেই মাদক মেশানো পানীয় খেয়ে কিছু ক্ষণের মধ্যে তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়লে, অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। জ্ঞান ফেরার পরে অসুস্থবোধ করেন ওই ছাত্রী। তিনি বাড়ি যেতে চান। তার পর একাই বাড়ি ফিরেছিলেন।

এরপরে অভিভাবকদের কাছে গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। ঘটনাক্রমে পরিবারের তরফে লেকটাউন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপরই লেকটাউন থানার পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্ত গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করে। রবিবার ধৃত গৃহশিক্ষককে বিধাননগর আদালতে হাজির করানো হয়। তদন্তের স্বার্থে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য বিচারকের কাছে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এলে সেই অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। তদন্তকারীরা নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা করিয়েছেন। পাশাপাশি, ঘটনাস্থল থেকে সম্ভাব্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। পানীয়ে মাদক মেশানো হয়েছিল কিনা, তা জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, আদালতে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত দাবি করেন, তিনি ওই কাজ করেননি। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। একজন শিক্ষকের এমন ঘৃণ্য কাজের অভিযোগে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks