...
...
Next Story

Minor Girl allegedly Harassed: আমের প্রলোভন! নাবালিকাকে কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে নিগ্রহ CISF জওয়ানের, হুলুস্থূল...

Minor Girl allegedly Harassed: এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়া মাত্রই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা রবিবার রাতে শীতলপুর তিন নম্বর গেটের কাছে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওই বিক্ষোভে সামিল ছিল জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

Published on: Apr 27, 2026 07:58 PM IST
Advertisement

Minor Girl allegedly Harassed: দ্বিতীয় দফার ভোটে বাংলার নিরাপত্তারক্ষার দায়িত্বে প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই সিআইএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধেই আমের প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের কুলটি থানার সাঁকতোরিয়া ফাঁড়ির কাছে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা ক্যাম্প ঘেরাও ও রাস্তা অবরোধ করলে পরিস্থিতি ঘোরতর আকার নেয়। রবিবার রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তারপরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি

নাবালিকাকে কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে নিগ্রহ CISF জওয়ানের (For representation) (HT_PRINT)
নাবালিকাকে কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে নিগ্রহ CISF জওয়ানের (For representation) (HT_PRINT)

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত জওয়ানের নাম রমাকান্ত বিশ্বকর্মা। রবিবার দুপুরে শীতলপুরে সিআইএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় ১০ বছরের ওই নাবালিকা আম কুড়াতে গিয়েছিল। অভিযোগ, সেখানে কর্মরত সিআইএসএফ জওয়ান রমাকান্ত বিশ্বকর্মা মিষ্টি আম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই ১০ বছরের নাবালিকাকে নিজের কোয়ার্টারে নিয়ে যান। কিশোরী কিছুই সন্দেহ করেনি। কিন্তু সেখানে ওই নাবালিকার শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে নাবালিকা।এরপর বাড়িতে গিয়ে ঠাকুমাকে সবটা জানায় ওই নাবালিকা। তারপরই কোয়ার্টারে যায় নাবালিকার পরিবারের সদ্যসরা। কিন্তু, ততক্ষণে কোয়ার্টারে তালা দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। পরে কুলটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার।

এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও পদক্ষেপ

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়া মাত্রই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা রবিবার রাতে শীতলপুর তিন নম্বর গেটের কাছে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওই বিক্ষোভে সামিল ছিল জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাকতোরিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ বিনয় দাস ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেন। রমাকান্তকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তাঁরা। এরপরই শুরু হয় পুলিশের তল্লাশি। রাত প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটে অভিযুক্ত রমাকান্ত বিশ্বকর্মাকে গ্রেফতার করা হয়। তারপরেই অবরোধ তুলে নেন স্থানীয়রা। সোমবার পুলিশি নিরাপত্তায় অভিযুক্ত রমাকান্ত বিশ্বকর্মাকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার গভীরে গিয়ে তদন্ত চালানোর স্বার্থে এবং তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের জন্য অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে। ধৃতের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

তৃণমূল নেতা চন্দন আচার্য ও আইএনটিটিইউসি নেতা রতন মসি জানান, 'পুলিশি তৎপরতায় ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।' এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার যে বাহিনীর ওপর ভরসা করে বাংলায় নির্বাচন পরিচালনা করছে, সেই বাহিনীর সদস্যেরই এমন আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক। এই ঘটনায় এলাকায় এখনও আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে আছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe