Attack on BJP Workers Bus: ভোটমুখী বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আর তাঁর সভা থেকে বাড়ির ফেরার পথে বিজেপি নেতা-কর্মীদের বাসে হামলার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঁকুড়ার সোনামুখীতে। অভিযোগ, বিনা প্ররোচনায় ভাঙচুর চালানো হয়েছে যাত্রিবাহী বাসের কাচে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন এক বিজেপি কর্মী। প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। অভিযোগের তির তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে শাসকদল।

রবিবার বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের গরু হাটতলা মাঠে সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামি এবং ইন্দাস বিধানসভার প্রার্থী নির্মল ধাড়ার সমর্থনে সভা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আর সেই সভায় যোগ দিতে বাস এবং ছোট গাড়ি চড়ে সোনামুখী এবং ইন্দাস বিধানসভার প্রচুর বিজেপি কর্মী সমর্থকরা পাত্রসায়েরে যান। সভা শেষে বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বেশ কয়েকটি বাস সোনামুখীর দিকে ফিরছিল। বিজেপির অভিযোগ, সোনামুখী থানার ধানসিমলা এলাকার কাছাকাছি ‘রিজার্ভ’ করা বাসটিকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন কয়েক জন। ইটের ঘায়ে একটি বাসের জানালার কাচ ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়। আহত হন এক বিজেপি কর্মী। মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
এরপর ওই বাসে থাকা অন্য বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা এবং আশপাশের বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের গ্রেফতারির দাবিতে ধানশিমলা এলাকায় বাঁকুড়া বর্ধমান রাজ্য সড়ক অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা হাতে বড় বড় বাঁশ ও লাঠি সোটা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয় এলাকায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছান সোনামুখী বিধানসভার বিজেপির প্রার্থী দিবাকর ঘরামী। তিনি কথা বলেন পুলিশের সঙ্গে। প্রায় ৪০ মিনিট পরে পথ অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। অবরোধ চলার পর পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ ওঠার পর দিবাকর বলেন, ‘ভোটের লড়াইয়ে এঁটে উঠতে পারবে না বুঝতে পেরে এই সব কাণ্ড করছে তৃণমূল। আমাদের একজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশ দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় আমরা অবরোধ তুলে নিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘হামলাকারী তৃণমূল কর্মীরা বুঝতে পারছেন না যাদের কথায় তাঁরা এভাবে আক্রমণ করছেন, আগামী ৪ এপ্রিলের পর তাঁদের আর পাশে পাবেন না।’
যদিও বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। এই হামলার ঘটনা ‘অনভিপ্রেত’ বলেছেন সোনামুখীর তৃণমূল প্রার্থী কল্লোল সাহা। তবে তিনি বলেন, ‘কিছু হলেই তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ ঠেলে দেওয়া বিজেপির অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এখন তৃণমূল কর্মীরা প্রচারের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। তাঁদের হাতে এত সময় নেই যে বিজেপির বাসে ইট ছুড়বে। এই ঘটনায় অন্য কোনও দলের কর্মীরা যুক্ত থাকতে পারেন।’
{{/usCountry}}যদিও বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। এই হামলার ঘটনা ‘অনভিপ্রেত’ বলেছেন সোনামুখীর তৃণমূল প্রার্থী কল্লোল সাহা। তবে তিনি বলেন, ‘কিছু হলেই তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ ঠেলে দেওয়া বিজেপির অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এখন তৃণমূল কর্মীরা প্রচারের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। তাঁদের হাতে এত সময় নেই যে বিজেপির বাসে ইট ছুড়বে। এই ঘটনায় অন্য কোনও দলের কর্মীরা যুক্ত থাকতে পারেন।’
{{/usCountry}}