Attack on BJP Workers: শিয়রে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। এই আবহে বিজেপির ওয়ার্ড শক্তি প্রমুখ-সহ ২ জনের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। রবিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে বেনাচিতি অন্নপূর্ণা নগর সংলগ্ন এলাকায়।

জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘোড়ুইয়ের সংকল্পপত্র বিলি করতে গিয়েছিলেন ওই দুই বিজেপি কর্মী। সেই সময়ই তাঁদের উপর হামলা চলে। আক্রান্ত বিজেপির ওয়ার্ড শক্তি প্রমুখের নাম মিঠুন গড়াই। রবিবার বিকেলে তিনি দুর্গাপুরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বেনাচিতি অন্নপূর্ণা নগর সংলগ্ন এলাকায় বিজেপি প্রার্থীর সংকল্পপত্র বিলি করছিলেন। সেই সময় কয়েকজন তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন বিজেপির আর এক কর্মীও। দু'জনকেই উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে আসেন বিজেপির জেলা নেত্রী মনীষা শিকদার-সহ অন্য নেতৃত্ব। বিজেপির অভিযোগ, প্রচারে বাধা দিতে তৃণমূল কর্মীরাই এই হামলা চালিয়েছে।
এদিকে আহত মিঠুন গড়াইয়ের কথায়, 'কোনও কারণ ছাড়াই আমাকে মারতে শুরু করে। আমাকে বাঁচাতে গেলে আমাদের আরেকজনও মার খায়।' তাঁর গলায় ছিল আতঙ্ক আর ক্ষোভ-রাজনৈতিক মতভেদ যে কখনও কখনও কতটা হিংস্র রূপ নিতে পারে, সেই ছবিই যেন ফুটে উঠছিল তাঁর কথায়। অন্যদিকে, দলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বিজেপি 'নাটক' করছে বলে কটাক্ষ করেছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় দাবি করেন, নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিজেপি কর্মীরা ফর্ম পূরণ করাচ্ছিলেন। নিষেধ করা সত্ত্বেও তাঁরা তা চালিয়ে যান। এই নিয়ে অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে ঘটনার দায় এড়াতে বিজেপি ‘নাটক’ করছে বলে অভিযোগ তাঁর। উজ্জ্বল বলেন, ভোটেই মানুষ এর জবাব দেবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। শাসক-বিরোধী তরজায় ভোটের আবহে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে।