...
...
Next Story

Mamata vs Shah over infiltration: 'বাংলা ছাড়া অনুপ্রবেশকারী নেই নাকি, পহেলগাঁও ও দিল্লিতে হামলা চালালে তোমরা?'

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যে অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়ে তরজা চরমে উঠছে, সেটা নিশ্চিত হয়ে গেল ২০২৫ সালের ৩৬৪ তম দিনে। অনুপ্রবেশ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন অমিত শাহ। পালটা তোপ দাগলেন মমতা।

Published on: Dec 30, 2025, 14:58:29 IST
Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ নিয়ে আক্রমণ শানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তার পালটা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বাঁকুড়ার বড়জোড়ার বীরসিংহপুর ময়দানের জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো প্রশ্ন তুললেন, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই কি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে? কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ হয় না? কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে কী হয়েছিল? পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার সময় নরেন্দ্র মোদীর সরকার কী করছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর কথায়, ‘পহেলগাঁও তাহলে কি আপনারা করলেন? দিল্লিতে কিছুদিন যে ঘটনা ঘটে গেল, তাহলে কি আপনারা করলেন? অনুপ্রবেশকারী (নাকি) বাংলা ছাড়া কোথাও নেই।’

অনুপ্রবেশ নিয়ে মমতাকে নিশানা শাহের

অনুপ্রবেশ নিয়ে সম্মুখসমরে অমিত শাহ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই এবং ফেসবুক Mamata Banerjee)
অনুপ্রবেশ নিয়ে সম্মুখসমরে অমিত শাহ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই এবং ফেসবুক Mamata Banerjee)

আর অনুপ্রবেশ নিয়ে আক্রমণ ও পালটা আক্রমণের বিষয়টা অনেকদিন ধরেই চলছে। বিধানসভা নির্বাচনের বছরে প্রবেশ করার ঠিক আগেই ২০২৫ সালের ৩৬৪ তম দিনে সেই ঝাঁঝটা বাড়িয়ে তোলেন শাহ। তিনদিনের কলকাতা সফরের মধ্যেই মঙ্গলবার দুপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পাশে বসিয়ে শাহ দাবি করেন যে মমতা সরকারের জন্যই পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত নিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটছে।

রাষ্ট্রীয় গ্রিড হবে, পাখিও গলতে পারবে না, হুংকার শাহের

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের যে ঘটনা ঘটছে, তা নেহাতই রাজ্যের বিষয় নয়। পুরো বিষয়টির সঙ্গে ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িয়ে আছে। তাই পশ্চিমবঙ্গে এমন মজবুত সরকারের প্রয়োজন আছে, যে সরকার সীমান্ত দিয়ে চিরকালের মতো অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেবে। আর সেই কাজটা বাস্তবায়নের জন্য একটি রাষ্ট্রীয় গ্রিড তৈরি করা হবে। তার ফলে সীমান্ত দিয়ে মানুষ কেন, একটি পাখিও পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে পারবে না বলে আশ্বস্ত করেন শাহ।

আর বড়জোড়ার সভা থেকে শাহের সেই আক্রমণের পালটা দিলেন মমতা। সেইসঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ আসন জিতে ক্ষমতায় আসবে বলে শাহ যে দাবি করেছেন, তা নিয়েও কটাক্ষ করেছেন। মমতা দাবি করেন, ২০২১ সালে বিজেপি বলেছিল যে ২০০ পার। সেটার ধারেকাছেও যায়নি। এবার বাংলায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন জিতবে বলেছে। কিন্তু আদতে বিজেপি বাংলা ছাড়া হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন মমতা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe