সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমান অবতরণ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়েছিল দমদমে। এর জেরে মমতার বিমানের অবতরণ বিলম্বিত হয়েছিল। ঝোড়ো হাওয়ার জেরে আকাশেই চক্কর কাটতে হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর বিমানকে। আর ২৭ মার্চ রাতে সেই একই পরিস্থিতিতে পড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুর্যোগের কারণে বহুক্ষণ আকাশে চক্কর কাটতে হয় অমিত শাহের বিমানকে। শেষ পর্যন্ত গভীর রাত ১ টা ২০ মিনিট নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করে অমিত শাহের চার্টার্ড বিমান।

উল্লেখ্য, আজ তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির 'চার্জশিট' পেশ করার কথা। এই আবহে বঙ্গ সফরে আসেন অমিত শাহ। ২৭ মার্চ রাত ১১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দমদমে অবতরণ করার কথা ছিল অমিত শাহের বিমানের। তবে সেই সময় দমদম অঞ্চলে প্রবল ঝড়-বষ্টি হচ্ছে। ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি মুহুর্মুহু বাজ পড়ছিল। এই আবহে দমদমে অবতরণ করতে না পেরে কৃষ্ণনগর-বনগাঁ এবং তৎসংলগ্ন এলাকার আকাশে চক্কর খেতে থাকে অমিত শাহের বিমান। ট্র্যাকারের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরনগরের কাছ থেকে ভীমপুরের আকাশে এক পাক ঘোরে বিমানটি। এরপর সেখান থেকে ধুবুলিয়ার দিকে যায়।
এর আগে খারাপ আবহাওয়ার কারণে একই ধরনের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। গত ২৬ মার্চ পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম থেকে কর্মসূচি সেরে ফিরছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু দমদমে তুমুল ঝড়-বৃষ্টির কারণে তাঁর বিমান নামতে পারেনি। দেড় ঘণ্টা আকাশেই চক্কর খায় মুখ্যমন্ত্রীর বিমান। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৬ মার্চ পাণ্ডবেশ্বর ও বীরভূমে দুটি জনসভা সেরে কলকাতায় ফেরার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কর্মসূচি শেষ করে বিকেল ৩টা ৩৯ মিনিট নাগাদ অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে টেকঅফ করে মমতার বিমান। জানা যায়, কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ সম্ভব না হওয়ায় বিমানটি বেহালার দিকে যায়। বেহালা ফ্লাইং ক্লাবের আকাশে অন্তত তিন বার অবতরণের চেষ্টা করা হলেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেটাও সম্ভব হয়নি। অবশেষে বিকেল ৫টা ১৮ নাগাদ নিরাপদে কলকাতায় নামে বিমানটি।