FIR against Abhishek Banerjee: ২০২৬ সালের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের উত্তাপ ভোট মিটলেও কমছে না। ফের একবার নজিরবিহীন আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হলো এফআইআর। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার এফআইআর দায়ের হলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয় এফআইআর দায়ের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে

সূত্রের খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের প্রাক্তন বিধায়ক তথা সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লা তৎকালীন অ্যাডিশনাল জোনাল মিতুন কুমার দে এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই দু’জনের বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। গিয়াসউদ্দিন মোল্লার দাবি, পশ্চিম মগরাহাট বিধানসভার প্রধান, পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েত সমিতির প্রতিটি দফতরের টিকিট পাইয়ে দিতেন মিতুন কুমার দে। গিয়াসউদ্দিন মোল্লা বলেন, 'এক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করেন তৎকালীন সময়ে মিতুন কুমার দে। থানার মধ্যে মারধরের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। তখন আমি প্রতিবাদ করেও কোনও ফল হয়নি। উল্টে মিতুন আমায় ধমক দিয়েছিলেন এবং লাঠি উঁচিয়ে মারার জন্য ছুটে এসেছিলেন।' তিনি আরও বলেন, 'পরবর্তী সময়ে মমতা ও অভিষেককে সব জানালেও কোনও সুরাহ হয়নি।'
তাঁর অভিযোগ, 'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবটাই জানতেন। মিতুন কুমার দে অভিষেকের নির্দেশ মেনেই এই কাজ করেছেন।' তাঁর বক্তব্য, এসডিপিও মিতুন কুমার দে হঠাৎই কয়েকদিনের মধ্যে তিনি অ্যাডিশনাল এসপি হয়ে ডায়মন্ড হারবার রয়ে গেলেন। শুধু ডায়মন্ড হারবারের অ্যাডিশনাল এসপি নয়, তিনি আসার পর এসডিপিও অফিস রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে যায়। আর সবটার পিছনেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সংখ্যালঘু গিয়াসউদ্দিন মোল্লা জানান, এতদিন তাঁর সাহস হয়নি দলের বিরুদ্ধে কথা বলার। প্রশাসনের এত অত্যাচার সহ্য করার পরেও মুখ খুলতে পারেনি। তাঁর আরও দাবি, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর ঘনিষ্ঠ। আর তাঁর উপর ভরসা রেখেই থানায় এফআইআর দায়ের করতে এসেছেন। এতদিন দলের বিরুদ্ধে তিনি মুখ খুলতে পারেননি। শনিবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তাঁর কথায়, 'আমি যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্য দিয়েই যাচ্ছি। এতদিন আমি অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি। তবে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর আস্থা রেখেই এফআইআর দায়ের করতে এসেছি। আতঙ্ক এবং ভয়ের মধ্যে ছিলাম। দোষীর উপযুক্ত শাস্তি হোক।'