...
...
Next Story

Anandapur Fire: 'সরকার প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটিতে', আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃত, নিখোঁজ ১৩, দেখা নেই দমকলমন্ত্রীর

নাইট শিফ্টে কারখানার মধ্যে থাকা কর্মীদের অনেকেরই কোনও খোঁজ নেই। প্রাথমিকভাবে তিনজন কর্মী নিখোঁজ হয়ে বলে মনে করা হচ্ছিল। পরে জানা যায়, মোমোর কারখানা এবং ডেকোরেটার্স কর্মী মিলিয়ে মোট ১৬ জন কারখানায় ছিলেন নাইট শিফটে।

Published on: Jan 26, 2026, 14:24:59 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

আনন্দপুরে মোমোর কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। শুধুই মোমো নয়, সংশ্লিষ্ট গোডাউনে একটি ডেকরেটর্স সংস্থার কর্মীরাও কাজ করতেন। ঘটনায় নিখোঁজ ১৩ জন। আগুন লাগার ১০ ঘণ্টা পরে সেখানে গিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে দেখা নেই দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর। ঘটনাস্থলে গিয়ে অরূপ বলেন, 'আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে, তবে সেখান থেকে ধোঁয়াটা বের করতে হবে।' তিনি নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। উল্লেখ্য, রবিবার গভীর রাতে আগুন লেগেছিল আনন্দপুরের কারখানায়। ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সেখানে আগুন জ্বলে।

মোমোর কারখানা এবং ডেকোরেটার্স কর্মী মিলিয়ে মোট ১৬ জন কারখানায় ছিলেন নাইট শিফটে।
মোমোর কারখানা এবং ডেকোরেটার্স কর্মী মিলিয়ে মোট ১৬ জন কারখানায় ছিলেন নাইট শিফটে।

প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, মোমো তৈরির কারখানায় প্রচুর পরিমাণ পামতেল মজুত করা ছিল। তা থেকেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এদিকে কারখানার অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী অরূপ চটে যান সাংবাদিকদের ওপরে। তিনি বলেন, 'এই প্রশ্ন কীভাবে করছেন? আমি কীভাবে এর উত্তর দেব? পুলিশ-প্রশাসন-দমকল ঢুকবে, তারপর তো উত্তর পাওয়া যাবে। এখনই বলে দিতে হবে কী ছিল, কী ছিল না? তা হলে তো আমাকেই তদন্তে নেমে পড়তে হবে।' এই নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল শাসিত সরকারকে। তিনি বলেন, 'সরকার প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটি কাটাচ্ছে।'

এদিকে নাইট শিফ্টে কারখানার মধ্যে থাকা কর্মীদের অনেকেরই কোনও খোঁজ নেই। প্রাথমিকভাবে তিনজন কর্মী নিখোঁজ হয়ে বলে মনে করা হচ্ছিল। পরে জানা যায়, মোমোর কারখানা এবং ডেকোরেটার্স কর্মী মিলিয়ে মোট ১৬ জন কারখানায় ছিলেন নাইট শিফটে। এর মধ্যে তিনজনের দগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১৩ জনের এখনও খোঁজ মেলেনি। তবে এই সংখ্যা প্রসঙ্গে পুলিশের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। কারখানায় আটকে পড়া এক ব্যক্তির আত্মীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, শেষবার তিনটের সময় তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর জামাইয়ের। কারখানায় নাকি বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল বলে বেরোতে পারছে না বলে জানিয়েছিলেন তাঁর জামাই। সেখানে জড়ো হওয়া অনেকেরই অভিযোগ, কারখানায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe