Annapurna Yojana IT Return File Rule: আয়কর রিটার্ন ফাইল করলেও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা মিলবে। জানিয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ইতিমধ্যে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞপ্তিতে থাকা একটি শর্ত নিয়ে অনেকের মধ্যেই ধন্দ তৈরি হয়েছে। শর্ত হিসেবে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ‘যে মহিলারা আয়কর দিচ্ছেন, তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায়’ ৩,০০০ টাকা পাবেন না। আর সেই শর্ত দেখে অনেকে ধন্দে পড়ে গিয়েছিলেন যে আয়কর রিটার্ন ফাইল করলেই পাওয়া যাবে না অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা। সেই ধন্দ কাটিয়ে দিলেন মন্ত্রী।
আয়কর দিলে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা মিলবে না

আপাতত বার্ষিক আয় ১২ লাখ টাকার নীচে হলে আয়কর দিতে হয় না। তবে কোনও আয়কর দিতে না হলেও নিয়ম মোতাবেক ইনকাম ট্যাক্স (আইটি) রিটার্ন ফাইল করতে হয়। অনেকে সেই কাজটাই করেন। আয়কর বাবদ তাঁদের কোনও কর দিতে হয় না। নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, যাঁদের আয়কর দেন, তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা পাবেন না। কিন্তু আয়কর রিটার্ন ফাইল করলেও করবাবদ কোনও টাকা দিতে না হলে সংশ্লিষ্ট মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য কী কী লাগবে?
আবেদনকারীর আধার কার্ড এবং আধারের সঙ্গে সংযুক্ত মোবাইল নম্বরের তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি আধারের সঙ্গে যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। ভোটার কার্ডের নম্বর এবং অন্যান্য বিশদও হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল রেশন কার্ডের তথ্য জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। আবেদনকারীর জমিজমা সংক্রান্ত খতিয়ানও প্রয়োজন হতে পারে।
{{/usCountry}}আবেদনকারীর আধার কার্ড এবং আধারের সঙ্গে সংযুক্ত মোবাইল নম্বরের তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি আধারের সঙ্গে যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। ভোটার কার্ডের নম্বর এবং অন্যান্য বিশদও হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল রেশন কার্ডের তথ্য জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। আবেদনকারীর জমিজমা সংক্রান্ত খতিয়ানও প্রয়োজন হতে পারে।
{{/usCountry}}ফর্মে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, আবেদনকারীর নিজেস্ব বাড়ি বা ফ্ল্যাট আছে নাকি। এছাড়া বাসস্থানে তিনের বেশি ঘর আছে কি না। পরিবারের সদস্যদের প্যান কার্ডের তথ্য, পেশা সংক্রান্ত তথ্য ও শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে সেই ফর্মে। এদিকে আবেদনকারীর পাশাপাশি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও বিশদ তথ্য দিতে হবে এই ফর্মে।
আরও পড়ুন: WB Plloution Study: ভারতের সবথেকে দূষিত এলাকার মধ্যে বাংলা, ‘আক্রান্ত’ হচ্ছে হিমালয়ও, বিপদে সুন্দরবন
পরিবারের বার্ষিক আয়, স্বাস্থ্যবিমা কিংবা অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া হচ্ছে কি না, সেই তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে। শিশুদের স্কুলে পড়াশোনা ও টিকাকরণ সংক্রান্ত তথ্যও ফর্মে উল্লেখ করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও পরিবারের কারও চার চাকার গাড়ি রয়েছে কি না এবং কেউ সিএএয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন কি না, বা এসআইআরে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে কি না, সেই বিষয়েও তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।