Sabina Yasmin Resigns: পুজোর মুখে বড় ধাক্কা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে অর্থাৎ গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসে। গণতান্ত্রিক তৃণমূলের মহিলা সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন সাবিনা ইয়াসমিন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে চতুর্থীর সকালে একটি পদত্যাগপত্র তিনি পাঠিয়েছেন দলের কাছে। বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও বিষয়টি জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যদিও পদ ছাড়লেও দল ছাড়ছেন না বলে জানিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন।

চিঠির একটি বিষয় বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন লিখেছেন,'শারীরিক অসুস্থতার কারণে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা সভানেত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।' তবে তিনি লিখেছেন, পদ ছাড়লেও দল ছাড়ছেন না। সাবিনা চিঠিতে বিপ্লব মিত্রকে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সর্বোপরি তিনি 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' নামটি উল্লেখ করেছেন। যেটির আপাতত কোনও অস্তিত্ব নেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে। চিঠিতে কোথাও ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেসের নাম নেই। আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ঋতব্রত শিবিরের নেতৃত্বও প্রথম থেকে দাবি করে আসছিলেন, প্রথম থেকেই তাঁরা তৃণমূলে রয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাহলে কী মালদহ জেলায় গুরুত্বপূর্ণ নেত্রীর মুখে সেই ধ্বনিই উচ্চারিত হল?
এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যাওয়ায় ১০ বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের জন্য সুপ্রিম কোর্টে যায় মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি দলের তরফে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছেও লিখিতভাবে একই আবেদন জানান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে যে ১০ জন বিধায়কের কাছে বিধানসভার সচিবালয়ের নোটিস পৌঁছয় সেই তালিকায় রয়েছে মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের নাম। এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সাবিনা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, সময়ের অভাবেই গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মহিলা সভাপতি পদ ছেড়েছেন তিনি। এসবের মাঝেই ডেমোক্রেটিক তৃণমূলের রাজ্য মহিলা সংগঠনের শীর্ষ পদ থেকে সাবিনার সরে দাঁড়ানো নতুন জল্পনা তৈরি করেছে রাজনীতিতে। তাঁর ইস্তফা এবং পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কী জানানো হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। সুজাপুরের বিধায়ক এরপর ঋতব্রত শিবিরে থাকছেন নাকি অন্য কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন তাও এখনও জানা যায়নি।
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে একাধিক বিধায়ক যোগ দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। দলের প্রতীক থেকে তহবিলের দাবি করে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে তুলে ধরতে চাইলেও শেষমেষ কমিশনের কাছ থেকে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নাম পেয়েছে। সুজাপুরের বিধায়ক সাবিনাও মমতা বিরোধী এই দলে যোগ দেন। সেই শিবির থেকেই তাঁকে মহিলা সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার মাস তিনেকের মধ্যে এই পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
{{/usCountry}}বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে একাধিক বিধায়ক যোগ দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। দলের প্রতীক থেকে তহবিলের দাবি করে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে তুলে ধরতে চাইলেও শেষমেষ কমিশনের কাছ থেকে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নাম পেয়েছে। সুজাপুরের বিধায়ক সাবিনাও মমতা বিরোধী এই দলে যোগ দেন। সেই শিবির থেকেই তাঁকে মহিলা সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার মাস তিনেকের মধ্যে এই পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
{{/usCountry}}