Anupam Kher Meets CM Suvendu Adhikari: রাজ্যজুড়ে আজ মহাসমারোহে উদযাপিত হচ্ছে সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৯তম জন্মজয়ন্তী। এই বিশেষ আবহের মাঝেই শুক্রবার বেলা ১২টা নাগাদ পিডব্লিউডি টেন্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এই বৈঠকের মূল আকর্ষণ হয়ে দাঁড়ায় বলিউড অভিনেতা অনুপম খেরের উপস্থিতি। বৈঠক শুরু হওয়ার ঠিক কিছু সময় আগেই সেখানে পৌঁছান এই বর্ষীয়ান অভিনেতা, যিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় পা রেখেছেন। আসলে দীর্ঘ আড়াই দশকেরও বেশি সময় পর, ফের একবার বাংলা সিনেমার প্রযোজক হিসেবে টলিউডে ফিরছেন অনুপম খের। ছবির নাম ‘শুরু থেকে শুরু।’ আর সেই সংক্রান্ত কথা বলতেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুপম খের উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন, '২৬ বছর পর বাংলায় একটা সিনেমা তৈরি করতে চলেছে। অফিসিয়ালি বলেছি। ২৬ বছর আগে ঋতুপর্ণ ঘোষের সিনেমা বাড়িওয়ালি তৈরি করেছিলাম। আমার স্ত্রী কিরণ খের অভিনয় করেছিল। আমাদের শুভ কামনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।' রাজনৈতিক পালাবদলের পর রাজ্যে প্রথমবার সফরে আসা অনুপম খেরের কণ্ঠে এদিন স্পষ্ট শোনা গেল নতুন বাংলার আশার সুর। রাজনৈতিকভাবে বিজেপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত অনুপম খের রাজ্যের উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। তাঁর কথায়, 'এখানে যে পরিবর্তন আনতে চাইছেন, সেটা সত্যিই ভাল উদ্যোগ। বাংলা সম্ভাবনাময়, আরও উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে চান মুখ্যমন্ত্রী। এই সিনেমার নাম শুরু থেকে শুরু। আমি মুখ্যমন্ত্রীকেও এটাই জানিয়ে এসেছি, শুরু থেকেই শুরু করুন। আমি তো সব এখান থেকেই শিখেছি।'
কিন্তু নতুন জমানায় বাংলাকে কেমন দেখছেন? এই প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বললেন, 'কালই যখন কলকাতায় বিমান থেকে নামলাম, দেখলাম, পরিবেশ অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন।' মূলত এটাই সাংবাদিকদের বলা শেষ কথা তাঁর। সচেতকদের মতে, তাঁর এই ধরনের মন্তব্য যথেষ্টই ইঙ্গিতপূর্ণ। অনুপম খের শুধুমাত্র নতুন সিনেমা নয়, বরং বাংলা সংস্কৃতি ও অভিনয়ের মানোন্নয়ন নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'আমি বাংলায় একটি ‘অ্যাক্টিং স্কুল’ বা অভিনয় প্রশিক্ষণের কেন্দ্র গড়তে চাই। মুখ্যমন্ত্রী আমার এই ভাবনার কথা শুনে অত্যন্ত উৎসাহিত হয়েছেন এবং আমাকে সবরকম শুভকামনা জানিয়েছেন।' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় থেকে সত্যজিৎ রায় কিংবা মৃণাল সেন-বাংলার এই সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার পীঠস্থান থেকেই তিনি যে অভিনয়ের তালিম নিয়েছেন, সে কথা সশ্রদ্ধভাবে স্মরণ করেন প্রবীণ এই অভিনেতা। বাংলায় যখন নতুন সরকার এল, তখন এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন নিয়ে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'মাথার উপরে আকাশ ও পায়ের তলার মাটি এক হয়ে যেতে পারে। সমুদ্রের সঙ্গে আকাশও মিশে যেতে পারে। অনুপম খেরের টাক মাথাতেও চুল গজিয়ে উঠতে পারে। কিন্তু বাংলায় তৃণমূল আর ফিরবে না।' তার উত্তরও দিতে দেখা গিয়েছিল অনুুপম খেরকে। তিনিও মজার ছলেই বলেছিলেন, 'আপনি কী সেটা দেখতে চান, আমার মাথায় চুল গজিয়েছে?'
{{/usCountry}}কিন্তু নতুন জমানায় বাংলাকে কেমন দেখছেন? এই প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বললেন, 'কালই যখন কলকাতায় বিমান থেকে নামলাম, দেখলাম, পরিবেশ অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন।' মূলত এটাই সাংবাদিকদের বলা শেষ কথা তাঁর। সচেতকদের মতে, তাঁর এই ধরনের মন্তব্য যথেষ্টই ইঙ্গিতপূর্ণ। অনুপম খের শুধুমাত্র নতুন সিনেমা নয়, বরং বাংলা সংস্কৃতি ও অভিনয়ের মানোন্নয়ন নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'আমি বাংলায় একটি ‘অ্যাক্টিং স্কুল’ বা অভিনয় প্রশিক্ষণের কেন্দ্র গড়তে চাই। মুখ্যমন্ত্রী আমার এই ভাবনার কথা শুনে অত্যন্ত উৎসাহিত হয়েছেন এবং আমাকে সবরকম শুভকামনা জানিয়েছেন।' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় থেকে সত্যজিৎ রায় কিংবা মৃণাল সেন-বাংলার এই সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার পীঠস্থান থেকেই তিনি যে অভিনয়ের তালিম নিয়েছেন, সে কথা সশ্রদ্ধভাবে স্মরণ করেন প্রবীণ এই অভিনেতা। বাংলায় যখন নতুন সরকার এল, তখন এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন নিয়ে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'মাথার উপরে আকাশ ও পায়ের তলার মাটি এক হয়ে যেতে পারে। সমুদ্রের সঙ্গে আকাশও মিশে যেতে পারে। অনুপম খেরের টাক মাথাতেও চুল গজিয়ে উঠতে পারে। কিন্তু বাংলায় তৃণমূল আর ফিরবে না।' তার উত্তরও দিতে দেখা গিয়েছিল অনুুপম খেরকে। তিনিও মজার ছলেই বলেছিলেন, 'আপনি কী সেটা দেখতে চান, আমার মাথায় চুল গজিয়েছে?'
{{/usCountry}}অনুপম খেরের এই সফর ও নতুন প্রজেক্টের ঘোষণা টলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে নতুন উৎসাহ জুগিয়েছে। একদিকে বলিউডের প্রবীণ অভিনেতার হাত ধরে নতুন সিনেমার আগমন, অন্যদিকে অভিনয় শিক্ষার পাঠশালা গড়ার স্বপ্ন-সব মিলিয়ে বাংলা সিনেমার দুনিয়ায় এক নতুন জোয়ার আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এই বৈঠকের পর প্রবীণ এই শিল্পী এখন বাংলা সিনেমার নতুন শুরুর অপেক্ষায়।