Australian effect in Bengal Transport: অস্ট্রেলিয়ার ধাঁচেই বাস, ট্রাম ছুটবে কলকাতা-সহ বাংলায়? গণপরিবহণ ঢেলে সাজাতে বৈঠক
Australian effect in Bengal Transport: অস্ট্রেলিয়ার ধাঁচেই বাস, ট্রাম ছুটতে পারে কলকাতা-সহ বাংলায়। এমনিতে পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার গণপরিবহণ ব্যবস্থায় অত্যন্ত আপ্লুত হয়েছেন তিনি।
Australian effect in Bengal Transport: কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের গণপরিবহণ পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজানোর ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করল অস্ট্রেলিয়া। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে দেখা করে কলকাতায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার কনসাল জেনারেল বার্নার্ড লিঞ্চ জানিয়েছেন যে রাজ্যের গণপরিবহণ পরিকাঠামো উন্নত করার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ান সংস্থাগুলি এগিয়ে আসতে পারে। সেই রেশ ধরে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানিগুলোকে প্রযোজ্য নিয়ম এবং পদ্ধতি মেনে পরিবহণ বিভাগের দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য লিঞ্চকে উৎসাহিত করেছেন পরিবহণ মন্ত্রী। অর্থাৎ সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে অস্ট্রেলিয়ার ধাঁচে বাস, ট্রাম ছুটতে পারে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গে।

ট্রাম থেকে গণপরিবহণের আধুনিকীকরণ নিয়ে আলোচনা
পরিবহণ দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বৈঠকের সময় মন্ত্রী জানিয়েছেন যে কীভাবে কলকাতায় ট্রাম পরিষেবাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেজন্য ইতিমধ্যে রাইটস সমীক্ষা শুরু করে দিয়েছে। তাছাড়াও কীভাবে রাজ্যের গণপরিবহণ ক্ষেত্রের আধুনিকীকরণের জন্য কী কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
পশ্চিমবঙ্গের গণপরিবহণ ক্ষেত্রে লগ্নি করতে পারে অস্ট্রেলিয়ার সংস্থা
সেই সাক্ষাতের প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের পরিবহণ মন্ত্রী বলেন, ‘কলকাতার পরিবহণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, বিশেষত ঐতিহ্যবাহী ট্রাম পরিষেবার পুনরুজ্জীবন ও উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কলকাতা ও রাজ্যের পরিবহণ পরিকাঠামোকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব করে তুলতে অস্ট্রেলিয়ার সংস্থাগুলি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাঁদের এই আগ্রহকে স্বাগত জানাই। অস্ট্রেলিয়ার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে রাজ্যের বিভিন্ন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছি।’
বাংলার পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে চাই, বার্তা অর্জুনের
সেইসঙ্গে পরিবহণ মন্ত্রী বলেন, ‘(আমাদের) বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার কনসাল জেনারেলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অনঘা, সিনিয়র ইকোনমিক রিসার্চ অ্যান্ড ভিজিটস অফিসার; রাজীব ঘোষ, কর্পোরেট সার্ভিসেস ম্যানেজার; এবং অ্যাঞ্জেলিনা নায়ার, সিনিয়র রিসার্চ অ্যান্ড ভিজিটস অফিসার।’ পাশাপাশি অর্জুন আরও বলেন, 'আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আধুনিক প্রযুক্তি ও সুপরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে কলকাতার পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত, আধুনিক ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


