...
...
Next Story

Avik Dey RG Kar Latest Update: আরজি কর কাণ্ডে ফের চাপে অভীক দে, নতুন করে তদন্ত কমিটি গঠন রাজ্যের

রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, গত ৫ অগস্ট ভিজিল্যান্স শাখার নির্দেশের ভিত্তিতেই এই তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন ডা. পার্থ প্রতিম প্রধান, ডঃ মানস কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডঃ সোমনাথ দাস এবং ডঃ কৌশিক মিত্র। মূলত অভীক দে-র বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখবে এই কমিটি।

Published on: Aug 11, 2026, 13:38:55 IST
Advertisement

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার পর ফের আলোচনায় উঠে এল চিকিৎসক অভীক দে-র নাম। ২০২৪ সালের সেই ঘটনার দিন তিনি আরজি করে উপস্থিত ছিলেন কি না, সেখানে তাঁর ভূমিকা কী ছিল এবং স্নাতকোত্তর চিকিৎসাশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে তিনি কোনও অনৈতিক সুবিধা নিয়েছিলেন কি না—এ বার এই সব বিষয় খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করল পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দফতর।

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার পর ফের আলোচনায় উঠে এল চিকিৎসক অভীক দে-র নাম
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার পর ফের আলোচনায় উঠে এল চিকিৎসক অভীক দে-র নাম

রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, গত ৫ অগস্ট ভিজিল্যান্স শাখার নির্দেশের ভিত্তিতেই এই তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন ডা. পার্থ প্রতিম প্রধান, ডা. মানস কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. সোমনাথ দাস এবং ডা. কৌশিক মিত্র। মূলত অভীক দে-র বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখবে এই কমিটি।

তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনে ভর্তির সময় সার্ভিস কোটার ব্যবহার। অভিযোগ, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের রেডিয়োডায়াগনসিস বিভাগের আরএমও থাকার সময় অভীক দে বেআইনিভাবে সার্ভিস কোটার সুবিধা নিয়ে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আগেও তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছিল রাজ্য সরকার।

আরজি কর-কাণ্ডের পর রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজে কথিত ‘থ্রেট কালচার’ নিয়েও ব্যাপক অভিযোগ সামনে আসে। জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ ছিল, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী ভয় দেখিয়ে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখত। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই অভীক দে-র নামও আলোচনায় আসে। তাঁর সঙ্গে বীরূপাক্ষ বিশ্বাসের নামও একাধিকবার উঠে এসেছিল।

ইতিমধ্যেই অভীক দে-র বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিভাগীয় তদন্ত বন্ধ করার আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তবে বিচারপতি অমৃতা সিনহা সেই আবেদন খারিজ করে দেন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে চলা তদন্তের পথ আরও পরিষ্কার হয়।

এ বার নতুন করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের ফলে অভীক দে-র বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি আরও বিশদে খতিয়ে দেখার সুযোগ তৈরি হল। বিশেষ করে সার্ভিস কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে তিনি কী কী সুবিধা পেয়েছিলেন, সেই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলা হয়েছিল কি না এবং কোনও অনিয়ম হয়েছিল কি না—সেগুলিই তদন্তের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।

তবে আরজি কর-কাণ্ডে অভীক দে-র বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও তদন্তের বিষয়। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগই আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করা যায় না। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের পরেই বিষয়টি নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।

সব মিলিয়ে, আরজি কর-কাণ্ডের পর ‘থ্রেট কালচার’, হাসপাতাল চত্বরে তাঁর উপস্থিতি এবং স্নাতকোত্তরে সার্ভিস কোটার ব্যবহার—এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে অভীক দে-র বিরুদ্ধে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। নতুন তদন্ত কমিটি সেই প্রশ্নগুলির কতটা উত্তর দিতে পারে, এখন সেদিকেই নজর।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe