সোমবার এক হোটেল থেকে গ্রেফতার হয়েছিল বাদুড়িয়া পুরসভার প্রধান দীপঙ্কর ভট্টাচার্য। এরপর বুধবার, বুধবার দীপঙ্করকে সঙ্গে নিয়েই এক স্থানীয় সেন্টারের পাশে একটি জমিতে যায় পুলিশ। এর আগে, মঙ্গলবার আদালত তাঁকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। এদিকে, যে জমিতে এদিন দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে নিয়ে যায় পুলিশ, সেই পাটের খেতের মাটি খুঁড়ে প্রায় টাকা ভর্তি ট্রলি উদ্ধার করে পুলিশ।

পাটের খেত থেকে টাকা ভর্তি ৪ টি ট্রলি এদিন উদ্ধার হয়েছে। একইসঙ্গে একটি বস্তাও উদ্ধার হয়। সব টাকা এখনও পর্যন্ত গোনা যায়নি বলে খবর। জানা গিয়েছে, খেতের একটি জায়গায় মাটি খুঁড়তেই ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে দীপঙ্করের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন স্থানীয়রা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করে পুলিশ। এর আগে, মঙ্গলবার দীপঙ্করের বাড়ির পাশের এক সেন্টার থেকে মঙ্গলবারই ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছিল।
বেশ কিছু মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, ওই সেন্টারে প্রচুর পরিমাণে সরকারি ত্রিপল মজুত রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পরেই পুলিশ এসে তালা ভেঙে সেখানে ঢোকে। অভিযোগ, তার পরেই ওই ঘর থেকে বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধার হয়। থরে থরে সাজানো ছিল তা। রাতে টাকা গোনার মেশিন আনা হয়। ঘটনাস্থলে বাদুড়িয়ার এসডিপিও সহ কমব্যাট ফোর্স গিয়ে হাজির হয়।
জানা গিয়েছে, বুধবার দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়েই ওই পাটের খেতে হাজির হয় পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, চারটি ব্যাগ এবং একটি বস্তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সব কয়টি ব্যাগের ভিতরেই তাড়া তাড়া ৫০০ টাকার নোট ছিল। উল্লেখ্য, বিজেপি ও সিপিএমের তরফেও দীপঙ্করের বিরুদ্ধে দুটি ভিন্ন অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
{{/usCountry}}জানা গিয়েছে, বুধবার দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়েই ওই পাটের খেতে হাজির হয় পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, চারটি ব্যাগ এবং একটি বস্তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সব কয়টি ব্যাগের ভিতরেই তাড়া তাড়া ৫০০ টাকার নোট ছিল। উল্লেখ্য, বিজেপি ও সিপিএমের তরফেও দীপঙ্করের বিরুদ্ধে দুটি ভিন্ন অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
{{/usCountry}}