যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে রবিবার কলকাতা বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করল প্যারিস থেকে ব্যাঙ্ককগামী একটি বিমান। কলকাতার আকাশসীমায় ঢোকার পরই বিমানে সমস্যা ধরা পড়ে। এরপর বেশ কয়েকবার আকাশে চক্কর কাটার পর কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাইলট। অনুমতি পাওয়ার পর বিমানটিকে জরুরি ভিত্তিতে কলকাতা বিমানবন্দরে নামানো হয়।

বিমানে ছিলেন ২৬৮ জন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু সদস্য। অবতরণের পর প্রত্যেককেই নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। পরে তাঁদের হোটেলে নিয়ে রাখা হয়েছে। বিমানটি বর্তমানে কলকাতা বিমানবন্দরের ১১৫ নম্বর বে-তে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিমানটি কখন আবার উড়বে, কত সময়ের মধ্যে মেরামতির কাজ শেষ হবে এবং যাত্রীদের কীভাবে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে—তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
তবে জরুরি অবতরণের নেপথ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির পাশাপাশি আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে। বিমানবন্দর সূত্রের দাবি, বিমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি ছিল না। সেই কারণেও পাইলট দ্রুত কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর জরুরি অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর বিমানটি কলকাতা বিমানবন্দরে নামানো হয়। যদিও জ্বালানি পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
ঘটনার পর বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জরুরি অবতরণের পর বিমানের যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের দ্রুত নামিয়ে আনা হয়। আপাতত তাঁদের হোটেলে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী যাত্রার বিষয়ে বিমান সংস্থার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা।
{{/usCountry}}ঘটনার পর বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জরুরি অবতরণের পর বিমানের যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের দ্রুত নামিয়ে আনা হয়। আপাতত তাঁদের হোটেলে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী যাত্রার বিষয়ে বিমান সংস্থার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা।
{{/usCountry}}একই দিনে দেশের অন্য প্রান্তেও বিমান জরুরি অবতরণের ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার সকালে ভোপাল থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান জয়পুরে জরুরি অবতরণ করে। উড়ানের কিছুক্ষণ পরই বিমানের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। পরিস্থিতি বুঝে পাইলট দ্রুত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
পাইলটকে পরামর্শ দেওয়া হয়, দিল্লির পরিবর্তে নিকটবর্তী জয়পুর বিমানবন্দরে বিমান নামানোর। সেই মতো বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। জরুরি অবতরণের জন্য জয়পুর বিমানবন্দরেও দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে।
একই দিনে দেশের দুই প্রান্তে পরপর বিমানের জরুরি অবতরণের ঘটনায় বিমান চলাচলের নিরাপত্তা এবং উড়ানের আগে প্রযুক্তিগত পরীক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে কলকাতার ঘটনায় কোনও যাত্রী বা ক্রু সদস্য আহত হননি। আপাতত বিমানটির ত্রুটি চিহ্নিত করে মেরামতের কাজ এবং যাত্রীদের পরবর্তী গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা চলছে।