ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ঠিক আগে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের পানিশালা সীমান্তে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ৮ জুন থেকে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে তিন দিনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগেই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে ১০ জনকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

শুক্রবার সকালে পানিশালা এলাকার ১৩৪ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে জিরো পয়েন্টে জড়ো হতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসার পর বিএসএফের জওয়ানরা সেখানে পৌঁছন। অভিযোগ, বাংলাদেশের বিজিবির ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বিএসএফের ৯৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের মহানদী বিওপির জওয়ানরা তাঁদের আটকে দেয় এবং প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে বলে।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার ঝালাঙ্গী এলাকা থেকে একটি গাড়িতে করে ওই ১০ জনকে সীমান্তের কাছে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্ব বা বৈধ প্রবেশের কোনও নথি না থাকায় বিএসএফ প্রবেশে বাধা দেয়। এরপর নারী ও শিশুসহ ওই ১০ জন জিরো পয়েন্টেই অবস্থান করতে শুরু করেন। শুক্রবার রাত পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে সূত্রের খবর, বিজিবির আপত্তির কারণে সেই বৈঠক শেষ পর্যন্ত হয়নি। অন্যদিকে বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমে বিজিবির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা নাকি বিএসএফই করেছিল। ফলে ঘটনাটি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট মতভেদ দেখা গিয়েছে।
এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতেও। পানিশালা এলাকার বহু কৃষকের জমি কাঁটাতারের ভেতরে অবস্থিত। উত্তেজনার কারণে অনেকেই এদিন মাঠে কাজে যেতে পারেননি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও বিএসএফ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সীমান্তবাসীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। গোটা ঘটনার উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
{{/usCountry}}এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতেও। পানিশালা এলাকার বহু কৃষকের জমি কাঁটাতারের ভেতরে অবস্থিত। উত্তেজনার কারণে অনেকেই এদিন মাঠে কাজে যেতে পারেননি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও বিএসএফ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সীমান্তবাসীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। গোটা ঘটনার উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
{{/usCountry}}