উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে ফের বহু বাংলাদেশি নাগরিককে জড়ো হতে দেখা গিয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে আসা এই অবৈধবাসীরা এবার বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমান্তে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা শতাধিক। অভিযোগ, এঁদের অনেকেই দীর্ঘদিন অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন। সাম্প্রতিক কড়াকড়ি ও নজরদারির জেরে ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা।

এর আগেও স্বরূপনগর সীমান্তে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে জড়ো হতে দেখা গিয়েছিল এসআইআরের সময়। আবার বিগত দিনে একাধিক বাংলাদেশি অবৈধবাসীদের গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। এই বাংলাদেশিদের বিষয়ে বিজিবিকে বলে সীমান্ত পার করে দিতে পারে বিএসএফ। তবে এখনও বিষয়টি স্পষ্ট নয়। সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই বিএসএফ ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমান্তে ভিড়ের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেই হোল্ডিং সেন্টারে সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অন্তর্ভুক্ত নন, এমন বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই সব আটক হওয়া অবৈধবাসীদের সরাসরি তুলে দেওয়া হবে বিএসএফের হাতে। এই আবহে সরকারের তরফ থেকে প্রত্যেক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারের কাছে নির্দেশিকা পাঠানো হয়, তাতে বলা হয়, 'এ রাজ্যে বেআইনি ভাবে বসবাস করতে গিয়ে যে সকল বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গারা ধরা পড়েছেন, তাঁদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। জেলাগুলিতে তার জন্য হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং এ রাজ্যের জেল থেকে ছাড়া পাওয়া বিদেশি বন্দিদের রাখার জন্য এই সমস্ত সেন্টার ব্যবহার করা হবে। সেন্টার তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।'
এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা সফরে আসতে পারেন বলে দাবি করা হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ রোধ এবং 'স্মার্ট বর্ডার' প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতেই এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সম্প্রতি অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তকে প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বর্ডার হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেখানে ড্রোন, সেন্সর, রাডার ও আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
{{/usCountry}}এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা সফরে আসতে পারেন বলে দাবি করা হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ রোধ এবং 'স্মার্ট বর্ডার' প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতেই এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সম্প্রতি অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তকে প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বর্ডার হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেখানে ড্রোন, সেন্সর, রাডার ও আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
{{/usCountry}}