...
...
Next Story

Hadi Murder Comment: 'দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খারাপ করছেন মমতা, বাংলাদেশে হিন্দুরা নিজেদের অসুরক্ষিত মনে করছেন'

Samik on Mamata: শমীকের অভিযোগ, মমতার মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করতে পারে।

Published on: Jun 06, 2026 09:23 AM IST
Advertisement

নাম না করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিতর্কি তমন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করলেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ইতিমধ্যেই তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়েছে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকেও দলটিকে প্রত্যাখ্যান করবে।

নাম না করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিতর্কি তমন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (PTI)
নাম না করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিতর্কি তমন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (PTI)

এই নিয়ে শমীক বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মন্তব্য করেছেন, তা পশ্চিমবঙ্গের তথা দেশের কোনও নাগরিক সমর্থন করেন না। দু’টি দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খারাপ করছেন উনি। ওঁর মন্তব্যের জন্য বাংলাদেশে থাকা হিন্দুরা নিজেদের অসুরক্ষিত মনে করছেন। এত বর্ষীয়ান একজন রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী কী ভাবে এহেন মন্তব্য করেন, তা আমি ভেবে পাই না। এ জন্যই পশ্চিমবঙ্গের জনতা ওঁর দলকে ক্ষমতাচ্যুত করেছেন। এ বার জনতা রাজনীতি থেকেও এঁদের উপড়ে ফেলে দেবে।'

প্রসঙ্গত, ধর্মতলার কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশের একটি বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক অভিযুক্তকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ গ্রেফতার করেছিল। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথাও হয়েছিল। তবে দেশের স্বার্থে তিনি কোনও ব্যক্তির নাম প্রকাশ করতে চান না বলেও মন্তব্য করেন। গত ২ জুনের সভায় এই ঘটনার উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের একটি বড় হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্তদের রাজ্যের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কী তথ্য সামনে এসেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ভূমিকাও উঠে আসে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থের কথা উল্লেখ করে কিছু তথ্য প্রকাশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe