নাম না করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিতর্কি তমন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করলেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ইতিমধ্যেই তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়েছে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকেও দলটিকে প্রত্যাখ্যান করবে।

এই নিয়ে শমীক বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মন্তব্য করেছেন, তা পশ্চিমবঙ্গের তথা দেশের কোনও নাগরিক সমর্থন করেন না। দু’টি দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খারাপ করছেন উনি। ওঁর মন্তব্যের জন্য বাংলাদেশে থাকা হিন্দুরা নিজেদের অসুরক্ষিত মনে করছেন। এত বর্ষীয়ান একজন রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী কী ভাবে এহেন মন্তব্য করেন, তা আমি ভেবে পাই না। এ জন্যই পশ্চিমবঙ্গের জনতা ওঁর দলকে ক্ষমতাচ্যুত করেছেন। এ বার জনতা রাজনীতি থেকেও এঁদের উপড়ে ফেলে দেবে।'
প্রসঙ্গত, ধর্মতলার কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশের একটি বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক অভিযুক্তকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ গ্রেফতার করেছিল। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথাও হয়েছিল। তবে দেশের স্বার্থে তিনি কোনও ব্যক্তির নাম প্রকাশ করতে চান না বলেও মন্তব্য করেন। গত ২ জুনের সভায় এই ঘটনার উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের একটি বড় হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্তদের রাজ্যের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কী তথ্য সামনে এসেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ভূমিকাও উঠে আসে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থের কথা উল্লেখ করে কিছু তথ্য প্রকাশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা, তিনি বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক কর্মীর হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার প্রসঙ্গেই ইঙ্গিত করেছিলেন। সেই মামলায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে।
{{/usCountry}}মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা, তিনি বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক কর্মীর হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার প্রসঙ্গেই ইঙ্গিত করেছিলেন। সেই মামলায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে।
{{/usCountry}}