...
...
Next Story

Bankura Town: সংকীর্ণ রাস্তার পাশে ক্লাব! যানজটের হটাতে অ্যাকশন মুডে বাঁকুড়ার বিধায়ক

Bankura Town: রবিবার দুপুরে বাঁকুড়ার কাঞ্চনপুর এলাকায় একটি কর্মসূচি সেরে স্কুলডাঙা দিয়ে নিজের দফতরে ফিরছিলেন বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। কিন্তু রাস্তায় যানজট দেখে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন তিনি। তার পর কার্যত রণংদেহী মেজাজে দেখা যায় বিধায়ককে।

Published on: Jun 28, 2026, 22:15:24 IST
Advertisement

Bankura Town: অ্যাকশন মুডে বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। সংকীর্ণ রাস্তার পাশে অবৈধভাবে তৈরি হয়েছিল ক্লাব। রাস্তায় যানজটের কারণ খুঁজতে গিয়ে সেই ‘অবৈধভাবে নির্মিত’ ক্লাব ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিলেন বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। বাঁকুড়া শহরের স্কুলডাঙা এলাকায় রাস্তার পাশে গজিয়ে ওঠা ওই নির্মাণ গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু দোকানও তুলে দিতে বলেন তিনি। এ জন্য তিনি নিজেই ফোন করেন প্রশাসনিক কর্তাদের।

যানজটের হটাতে অ্যাকশন মুডে বাঁকুড়ার বিধায়ক (সৌজন্যে ফেসবুক )
যানজটের হটাতে অ্যাকশন মুডে বাঁকুড়ার বিধায়ক (সৌজন্যে ফেসবুক )

বাঁকুড়া শহরের স্কুলডাঙার রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় সারাক্ষণই যান চলাচল হয়। ওই রাস্তা দিয়েই অহরহ রোগী নিয়ে যাতায়াত করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের অ্যাম্বুল্যান্সগুলো। রাস্তার দু’ধারে রয়েছে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অফিস। সে জন্য ছাত্রছাত্রী থেকে চাকরিজীবীদের সারাক্ষণ ভিড় লেগেই থাকে। কয়েক বছর আগে ওই এলাকায় গির্জা সংলগ্ন রাস্তার একাংশ দখল করে একটি ক্লাব তৈরি হয়। সাধারণ মানুষের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই সংকীর্ণ রাস্তার পাশে ওই ক্লাবটি থাকায় যানবাহন চলাচল এবং পথচারীদের চলাচলের অসুবিধে পড়তে হচ্ছিল। শোনা যায়, সেখানকার এক প্রভাবশালী তৃণমূল কংগ্রেস নেতার মদতেই নাকি ‘বেআইনি নির্মাণ’ গড়ে ওঠে। আর ক্লাব তৈরি হতেই রাতারাতি বেশ কয়েকটি দোকানও বসে যায় আশপাশে। বাঁকুড়ার বিধায়কের দাবি, এই কারণে শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। সর্বদা যানজট লেগে রয়েছে।

রবিবার দুপুরে বাঁকুড়ার কাঞ্চনপুর এলাকায় একটি কর্মসূচি সেরে স্কুলডাঙা দিয়ে নিজের দফতরে ফিরছিলেন বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। কিন্তু রাস্তায় যানজট দেখে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন তিনি। তার পর কার্যত রণংদেহী মেজাজে দেখা যায় নীলাদ্রিকে। দ্রুত রাস্তার জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় কয়েক জন ব্যবসায়ীকে নির্দেশ দেন বিধায়ক। সেখান থেকে তিনি ফোন করেন জেলা প্রশাসনের কোনও আধিকারিককে। মোবাইলে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘বেআইনি ভাবে রাস্তা দখল করে ওই ক্লাবটি গড়ে ওঠার জন্য রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে গেছে। প্রায় যানজট হচ্ছে। আজই ওই ক্লাব ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে আমি নিজেই গাঁইতি-কোদাল নিয়ে এসে এই ক্লাব ভেঙে দেব।’ জানা গিয়েছে, ওই আধিকারিক বিষয়টি তখনই দেখার আশ্বাস দিলে ফোন রেখে দেন বিধায়ক।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe