...
...
Next Story

Baruipur Prabhas Mondal Wife: ‘ও বরাবরই নোংরা’, বারুইপুর কাণ্ডে এনকাউন্টারের পর মুখ খুললেন অভিযুক্তের স্ত্রী

প্রভাসের স্ত্রী বলেন, ‘ও বরাবরই নোংরা স্বভাবের ছিল। তাই এই অপরাধ ও করেনি, এমন কথা আমি বলতে পারব না। ও সবই করতে পারে। বিয়ের পর থেকে আমার উপর অনেক অত্যাচার করেছে। সেই সব সহ্য করেই সংসার করেছি। দোষ করেছে বলেই গুলি খেয়েছে।’

Published on: Jul 8, 2026, 12:07:54 IST
Advertisement

যোগীরাজ্যের ধাঁচে পুলিশের এনকাউন্টারকে ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয়েছে পুলিশের গুলিতে। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এরপর আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। এই ঘটনার পর যেমন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তেমনই অভিযুক্তের পরিবারের বক্তব্যও উঠে এসেছে আলোচনায়।

প্রভাসের স্ত্রী বলেন, 'ও বরাবরই নোংরা স্বভাবের ছিল।'
প্রভাসের স্ত্রী বলেন, 'ও বরাবরই নোংরা স্বভাবের ছিল।'

বুধবার সকালে পুলিশ প্রভাস মণ্ডলের পরিবারের কাছে তার মৃত্যুর খবর পৌঁছে দেয়। প্রথম প্রতিক্রিয়ায় প্রভাসের মা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ছেলের মৃত্যুতে তিনি কোনও আক্ষেপ করছেন না। তাঁর কথায়, ছেলে যে অপরাধ করেছে, তার পরিণতিই সে ভোগ করেছে। এমনকি মৃতদেহ আনতেও প্রথমে অস্বীকার করেন তিনি।

এরপর সামনে আসে প্রভাসের স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া। স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘ও বরাবরই নোংরা স্বভাবের ছিল। তাই এই অপরাধ ও করেনি, এমন কথা আমি বলতে পারব না। ও সবই করতে পারে। বিয়ের পর থেকে আমার উপর অনেক অত্যাচার করেছে। সেই সব সহ্য করেই সংসার করেছি। দোষ করেছে বলেই গুলি খেয়েছে।’ তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, স্বামীর প্রতি কোনও সহানুভূতি দেখাননি তিনি।

তবে তিনি জানান, থানার পক্ষ থেকে মৃতদেহ গ্রহণের জন্য পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবারের অন্য সদস্যরা রাজি হলে তিনি থানায় যাবেন বলেও জানান। পরে জানা যায়, প্রভাসের মা ও স্ত্রী থানার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

তদন্তকারীদের দাবি, পুনর্নির্মাণ চলাকালীন আচমকাই এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। অভিযোগ, সে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার পর একদিকে যেমন পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে, অন্যদিকে অভিযুক্তের পরিবারের মন্তব্যও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং গোটা ঘটনায় পুলিশ বিস্তারিত রিপোর্ট প্রস্তুত করছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe