Baruipur Victim's Father on Encounter: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী— এমনটাই দাবি করলেন নির্যাতিতার বাবা। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয়েছে পুলিশের এনকাউন্টারে। বাকি অভিযুক্ত দিবাকর মণ্ডল, আনন্দ সর্দার এবং কবীর মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত হবে বলেই তাঁর বিশ্বাস।

রবিবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ১১ বছরের এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার খবর সামনে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ফোনে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার এবং কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেন।
তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর মণ্ডল এবং আনন্দ সর্দারকে গ্রেপ্তার করে। পরে মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট থেকে কবীর মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর ফলে এই মামলায় মোট গ্রেপ্তারির সংখ্যা দাঁড়ায় চার।
এরই মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে অপরাধস্থলের পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রভাস এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে গুরুতর জখম হয় সে। পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নির্যাতিতার বাবা বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা। তিনি আমাকে কথা দিয়েছিলেন, দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না। তাঁর উপর আমার সম্পূর্ণ ভরসা আছে। দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে। আমার বিশ্বাস, আমার মেয়ে বিচার পাবে।'
{{/usCountry}}ঘটনার পর নির্যাতিতার বাবা বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা। তিনি আমাকে কথা দিয়েছিলেন, দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না। তাঁর উপর আমার সম্পূর্ণ ভরসা আছে। দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে। আমার বিশ্বাস, আমার মেয়ে বিচার পাবে।'
{{/usCountry}}অন্যদিকে, এনকাউন্টারে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর পর তার মা এবং স্ত্রীর প্রতিক্রিয়াও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তাঁরা জানান, প্রভাসের কর্মকাণ্ডের জন্য এই পরিণতিই প্রাপ্য ছিল। প্রভাসের স্ত্রী বলেন, 'ও বরাবরই নোংরা স্বভাবের ছিল। কারও কথা শুনত না, নেশা করত, কাজও করত না। বাচ্চা মেয়েটার সঙ্গে যা করেছে, তার শাস্তি পেয়েছে।' একই সুর শোনা গিয়েছে প্রভাসের মায়ের গলাতেও।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের দাবি, এত নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে এবং বাকি অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী দল।