বসিরহাট পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর গোপাল দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি আদায়, দুর্নীতি এবং তোলাবাজির একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শুক্রবার গভীর রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই গোপাল দাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠছিল। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উপভোক্তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি সুবিধা পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হত। সেই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ জমা পড়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
তদন্ত চলাকালীন পুলিশ প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু তথ্য ও নথি হাতে পায় বলে জানা গিয়েছে। এরপরই শুক্রবার রাতে কাউন্সিলরকে আটক করা হয় এবং পরে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, আবাস যোজনার পাশাপাশি আরও কিছু সরকারি প্রকল্প নিয়েও নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, শুধুমাত্র কাটমানির অভিযোগই নয়, এর সঙ্গে কোনও বড় আর্থিক দুর্নীতির যোগ রয়েছে কি না। অভিযোগের টাকার পরিমাণ, কারা কারা অর্থ দিয়েছেন এবং সেই অর্থ কোথায় গিয়েছে, সেই বিষয়গুলিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত এই গ্রেপ্তারি নিয়ে বিস্তারিত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। ধৃত কাউন্সিলরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অন্য কেউ একই ধরনের অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই গ্রেপ্তারির পর বসিরহাটের রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে প্রশাসনের।
{{/usCountry}}ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত এই গ্রেপ্তারি নিয়ে বিস্তারিত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। ধৃত কাউন্সিলরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অন্য কেউ একই ধরনের অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই গ্রেপ্তারির পর বসিরহাটের রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে প্রশাসনের।
{{/usCountry}}