...
...
Next Story

Beldanga violence latest update: শনিতেও তাণ্ডব বেলডাঙায়, স্টেশনের কাছেই ভাঙচুর, ব্যাহত ট্রেন, অবরোধ জাতীয় সড়ক

শুক্রবারের মতোই শনিবারও অশান্তি ছড়াল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায়। ভাঙচুর চালানো হয়েছে বেলডাঙা স্টেশ সংলগ্ন রেলগেটে। রেলের সিগন্যালও ভেঙে ফেলা হয়েছে। তার জেরে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। মারধরকরা হয়েছে সাংবাদিককে।

Published on: Jan 17, 2026, 12:57:15 IST
Advertisement

শুক্রবারের মতোই শনিবারও অশান্তি ছড়াল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায়। শুক্রবার ঝাড়খণ্ডে আলাউদ্দিন শেখ নামে এক ফেরিওয়ালার মৃত্যু ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। আর শনিবার বিহারে এক পরিযায়ী শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে বেলডাঙায় তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ভাঙচুর চালানো হয়েছে বেলডাঙা স্টেশ সংলগ্ন রেলগেটে। রেলের সিগন্যালও ভেঙে ফেলা হয়েছে। তার জেরে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। সড়কপথেও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বড়ুয়া মোড় কাছে রাস্তায় অবরোধ করা হয়। তার জেরে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। মারধর করা হয়েছে সাংবাদিকদেরও। শুক্রবার জি ২৪ ঘণ্টার সাংবাদিক সোমা মাইতি এবং চিত্রসাংবাদিককে মারধর করা হয়েছিল। আর আজ আক্রমণের মুখে পড়েন এবিপি আনন্দের সাংবাদিক পার্থপ্রতিম ঘোষ এবং চিত্রসাংবাদিক।

বাড়তি বাহিনী পাঠাচ্ছে রেল

শুক্রবার বেলডাঙায় অশান্তির দৃশ্য।
শুক্রবার বেলডাঙায় অশান্তির দৃশ্য।

তারইমধ্যে ট্রেন পরিষেবা নিয়ে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ কে দেউস্কর জানিয়েছেন, বেলডাঙার যা পরিস্থিতি, সেটা মাথায় রেখে বাড়তি পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে বড় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার।

শুক্রবার শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী

এমনিতে শুক্রবার বেলডাঙার অশান্তির প্রেক্ষিতে শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় যে অশান্তি ঘটছে, সেটার নেপথ্যে কাদের প্ররোচনা আছে, তা সকলেই জানেন। কিন্তু কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি অভিযোগ করেন, অশান্তি ছড়ানোর জন্য উস্কানি দিচ্ছে বিজেপি। এমনকী কেন্দ্রীয় এজেন্সিকেও সেই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ফ্রাইডে (শুক্রবার) জুম্মাবার। পবিত্র বার। যেমন শিবেরও বার, মা দুর্গারও বার, সন্তোষী মাতারও বার। তেমনই ফ্রাইডে জুম্মার নমাজ হয়। এখন যদি দুর্গাপুজো দেখতে এসেছে কোটি-কোটি লোক, সেখানে আপনি যদি একটা মাইক লাগিয়ে দেন, তাহলে সবাই শুনবে তো। ফ্রাইডে জুম্মাবার, এমনি সংখ্যালঘুদের কাছে একটা সেন্টিমেন্ট (ভাবাবেগ) আছে। সেখানে সবাই ফ্রাইডে জুম্মার নমাজ করতে এসেছে।'

বিজেপির দিকে আঙুল তোলেন মুখ্যমন্ত্রী

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe