Bengal Higher Education Latest Update: আর্টসের বিষয়ের সঙ্গে নেওয়া যাবে সায়েন্সের বিষয়, ২০৩০-র মধ্যে জেলায়-জেলায় বড় কাজ
Bengal Higher Education Latest Update: ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি জেলা বা প্রতিটি জেলার কাছাকাছি অন্তত একটি বড় মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। নয়া জাতীয় শিক্ষানীতিতে আছে সেই বিষয়টি।
Bengal Higher Education Latest Update: নয়া জাতীয় শিক্ষানীতি মেনেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার এগিয়ে যাবে বলে বার্তা দিলেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের প্রাক্তনীদের সমিতি এবং সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের স্টুডেন্টস কাউন্সিলের আয়োজিত অনুষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করার ফলে কেন্দ্রীয় শিক্ষা তহবিল থেকে সম্পূর্ণভাবে অর্থ পায়নি পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু এবার সেই ছবিটা পালটাচ্ছে। নয়া জাতীয় শিক্ষানীতি মেনেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার এগিয়ে যাবে। আর যা রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে, সেটা মেনেই কাজ করা হবে।

কী কী লক্ষ্য আছে? বোঝালেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী
উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, ‘(জাতীয় শিক্ষানীতিতে) বলা হয়েছে যে, ২০৪০ সালের মধ্যে প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৩,০০০ বা তার বেশি পড়ুয়া থাকতে হবে। আবার ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি জেলা বা প্রতিটি জেলার কাছাকাছি অন্তত একটি বড় মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। ভোকেশনাল কোর্স-সহ উচ্চশিক্ষায় মোট ভর্তির হার বাড়িয়ে ২০৩৫ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ করতে হবে। যা ২০১৮ সালের ২৬.৩ শতাংশ ছিল।’
আরও পড়ুন: Food Safety: ফলেও বিষ! স্বাস্থ্যকর খাবেন ভাবছেন? ভয়ংকর রোগের নেপথ্যে থাকতে পারে 'কলা'
মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি প্রতিষ্ঠান আসলে কী?
মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে এমন এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে পড়ুয়ারা কোনও একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে স্পেশালাইজেশন করার পরিবর্তে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, ফিজিক্সের একজন পড়ুয়া পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে দর্শন বা ডিজাইনের মতো বিষয়গুলিও বেছে নিতে পারেন। আবার আর্টসের পড়ুয়া বেছে নিতে পারবেন তথাকথিত সায়েন্সের বিষয়। অর্থাৎ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে কলা, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং ভোকেশনাল কোর্স থাকবে একইসঙ্গে।
বিশ্বে জ্ঞানের সুপার-পাওয়ারে পরিণত হবে ভারত, আশাবাদী মন্ত্রী
আর সেই মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি প্রতিষ্ঠানের কথাই বলা হয়েছে নয়া জাতীয় শিক্ষানীতিতে। যা তুলে ধরেছেন পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী। সেই রেশ ধরে নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির প্রশংসা করে পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, ‘নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির মাধ্যমে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, তা ভারতীয় মূল্যবোধের উপরে দাঁড়িয়ে আছে, যা ভারতকে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে সরাসরি অবদান রাখবে। তার ফলে বিশ্বমঞ্চে জ্ঞানের এক মহাশক্তিতে পরিণত হবে ভারত।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


