...
...
Next Story

Scientists List 2026: বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বাংলার জয়জয়কার! প্রথম তিনে IIT খড়্গপুর, বড় সাফল্য যাদবপুরেরও

Stanford Top 2% Scientists List 2026: বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন খড়গপুর আইআইটি-র ৯৭ জন গবেষক। আর মর্যাদাপূর্ণ এই তালিকায় রয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮ জন গবেষক।

Published on: Oct 11, 2026, 21:08:48 IST
Advertisement

Stanford Top 2% Scientists List 2026: উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের দরবারে ফের উজ্জ্বল বাংলার নাম। গবেষণার জগতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের ক্ষেত্রে ফের নজরকাড়া সাফল্য পেয়েছে আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur)। রাজ্যের আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয় ঠাঁই পেল সেরার তালিকায়। সব সময় আন্দোলন-বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা করে নিয়েছে সেরা দশে।

বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বাংলার জয়জয়কার!
বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বাংলার জয়জয়কার!

সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ার প্রকাশিত ২০২৬ সালের ‘ওয়ার্ল্ডস টপ ২ শতাংশ সায়েন্টিস্টস’ (World’s Top 2% Scientists list)) তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন খড়গপুর আইআইটি-র ৯৭ জন গবেষক। আর মর্যাদাপূর্ণ এই তালিকায় রয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮ জন গবেষক। আইআইটি মাদ্রাজের ৮১ জন এবং আইআইটি বম্বের ৭৩ জন গবেষক রয়েছেন তালিকায়। অন্যদিকে, আইআইটি রুরকির ৬২ জন এবং আইআইটি কানপুরের ৫৫ জন গবেষকও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন।

বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির থেকে এগিয়ে যাদবপুর

'স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ারের ২০২৬ সালের তালিকাটি মূলত গবেষকদের গোটা কর্মজীবনের গবেষণার প্রভাবের নিরিখে মূল্যায়ণ করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই তালিকায় দেশের একাধিক নামী প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে যাদবপুর। যেখানে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ জন এবং আইআইটি গুয়াহাটির ৩৭ জন এমনকী, দেশের প্রথম সারির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারের ৪০ জন গবেষক এই তালিকায় রয়েছেন, সেখানে যাদবপুরের গবেষকের সংখ্যা ৪৮। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরে এই সাফল্য যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের তৈরি এই তালিকা প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার। গবেষকদের কাজের প্রভাব ও বৈজ্ঞানিক অবদান মূল্যায়নের জন্য ব্যবহার করা হয় স্কোপাস (Scopus) ডেটাবেসের তথ্য। মূলত গবেষণাপত্র কতবার উদ্ধৃত হয়েছে, গবেষকের এইচ-ইনডেক্স, যৌথ গবেষণায় অবদান এবং গবেষণাপত্রে লেখক হিসেবে অবস্থান-সহ একাধিক বিষয় বিবেচনা করা হয়। মোট ২২টি প্রধান বিজ্ঞান বিভাগ এবং ১৭৪টি উপবিভাগের ভিত্তিতে গবেষকদের কাজ বিশ্লেষণ করা হয়। এক্ষেত্রে দুটি পৃথক তালিকা প্রকাশ করা হয়। একটি গবেষকদের গোটা কর্মজীবনের গবেষণার প্রভাবের ভিত্তিতে এবং অন্যটি নির্দিষ্ট এক বছরের গবেষণার প্রভাবের ভিত্তিতে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks