...
...
Next Story

Kolkata Airport Metro Work: ১৪ কিমি জ্যামও হতে পারে, এয়ারপোর্টে মেট্রোকে যান নিয়ন্ত্রণের অনুমতি দিল না পুলিশ

চিংড়িঘাটা মোড়ে মেট্রোর কাজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জট চলছে। এবার কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন (নিউ গড়িয়া থেকে এয়ারপোর্ট মেট্রো করিডর) নতুন সমস্যার মুখে পড়ল। এয়ারপোর্টের কাছে ট্র্যাফিক ব্লকের অনুমতি দিল না পুলিশ।

Published on: Feb 11, 2026, 17:21:33 IST
Advertisement

চিংড়িঘাটা মোড় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চূড়ান্ত টালবাহানা চলছে। তারইমধ্যে আরও একটা বাধার সম্মুখীন হল কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। যা নিউ গড়িয়ার সঙ্গে সরাসরি কলকাতা বিমানবন্দরকে যুক্ত করার কথা আছে। কিন্তু সেই যোগসূত্র কবে তৈরি হয়ে ওই লাইনে নিরবিচ্ছিন্নভাবে মেট্রো ছুটবে, তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হল। কারণ নিউ গড়িয়া থেকে আগত অরেঞ্জ লাইন কলকাতা বিমানবন্দরকে যুক্ত করার জন্য শেষ ১৩৫ মিটার অংশের যে কাজ বাকি আছে, সেটার জন্য মেট্রো কর্তৃপক্ষকে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের অনুমতি দিল না বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের তরফে জানানো করা হয়েছে যে প্রস্তাবিত অংশে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করলে ভয়াবহ যানজট তৈরি হতে পারে। মধ্যমগ্রাম (এয়ারপোর্ট আড়াই নম্বর গেট থেকে দূরত্ব প্রায় ১o কিলোমিটার), দক্ষিণেশ্বর (দূরত্ব প্রায় ১৪ কিমি) পর্যন্ত যানজট পড়ে যেতে পারে বলেও পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে অন্য পরিকল্পনা ছিল RVNL-র

কলকাতার মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের কাজ নিয়ে নয়া জট তৈরি হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)
কলকাতার মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের কাজ নিয়ে নয়া জট তৈরি হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)

যদিও প্রাথমিকভাবে কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল) ঠিক করেছিল যে এমন উপায়ে এয়ারপোর্ট মেট্রোর টানেল তৈরি করা হবে যে যান নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনই হবে না। আসলে কলকাতা বিমানবন্দরের নিয়মের কারণে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট করিডরের শেষ ৯০০ মিটার অংশে মাটির নীচ দিয়ে যাবে মেট্রো। আর শেষ ১৩৫ মিটার অংশের ‘বক্স-পুশিং’ পদ্ধতিতে টানেল খননের পরিকল্পনা করেছিল আরভিএনএল। কিন্তু মাটির অবস্থার কারণে চিরাচরিত ‘কাট অ্যান্ড কভার’ পদ্ধতিতেই টানেল খোঁড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কীভাবে গাড়ি ঘোরানোর পরিকল্পনা ছিল?

আর সেই কাজের জন্য বিমানবন্দর থেকে ভিআইপি রোডের দিকে রাস্তা খনন করতে হবে। প্রাথমিকভাবে ঠিক করা হয়েছিল যে এয়ারপোর্ট আড়াই নম্বর গেটের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে গাড়ি। সেখান থেকে এয়ারপোর্ট রোড হয়ে এয়ারপোর্ট এক নম্বর গেটে পৌঁছে ভিআইপি রোডের দিকে চলে যাবে।

মধ্যমগ্রাম ছাড়িয়ে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত জ্যাম হতে পারে

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe